—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
প্রতিবেশী তরুণীকে দিনের পর দিন যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তৃণমূলের এক নেতার বিরুদ্ধে। প্রথমে সালিশিসভায় বসে সমাধানের চেষ্টা হয়। সেখানে অভিযুক্তকে বেধড়ক মারধর করেন ক্ষিপ্ত প্রতিবেশীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সোমবার এ নিয়ে তীব্র চাপানউতর হুগলির চণ্ডীতলায় এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে খবর, অভিযুক্ত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। তিনি এক প্রতিবেশী তরুণীকে একাধিক বার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। ওই তরুণী সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়ার পরে বিষয়টি লোক জানাজানি হয়। তার পর অভিযুক্তকে নিয়ে ‘সমাধানে’ বসেন স্থানীয়েরা। কিন্তু সালিশিসভায় উত্তেজিত হয়ে তৃণমূল নেতাকে মারধর করেন স্থানীয়েরা। খবর যায় থানায়।
চণ্ডীতলা থানার পুলিশ তৃণমূল নেতাকে উদ্ধারের চেষ্টা করে। কিন্তু পুলিশের হাত থেকে টেনে এনে অভিযুক্তকে পেটানো হয়। দীর্ঘ প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ‘নির্যাতিতা’র পরিবার অভিযুক্ত নেতার কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছে। অন্য দিকে, সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যরাই সহকর্মীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধানের কাছে ডেপুটেশন জমা দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, ওই পঞ্চায়েত সদস্যকে যেন আর পঞ্চায়েত কার্যালয়ে ঢুকতে দেওয়া না হয়। তাঁর সদস্যপদ খারিজের আবেদন করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। চণ্ডীতলার তৃণমূল বিধায়ক স্বাতী খন্দকার বলেন, ‘‘দোষ করলে আইনত শাস্তি পেতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেস এমন দল, যেখানে কেউ দোষ করলে তাঁকে শাস্তি পেতেই হবে।’’
শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের এক পদস্থ কর্তা।