Kakdwip Nursing Home Controversy

ভুল প্লাস্টারে অকেজো শিশুর হাত! কাকদ্বীপের সেই নার্সিং হোম বন্ধ করে দিল সরকার, এখনও অমিল ক্ষতিপূরণ

পড়ে গিয়ে হাত ভেঙে গিয়েছিল কাকদ্বীপের পাঁচ বছর বয়সি শিশুর। সেই হাতে প্লাস্টার এত কষে বাঁধা হয় যে, গ্যাংরিনের কারণে হাতটি অকেজো হয়ে গিয়েছে। এখনও ক্ষতিপূরণ পায়নি শিশুর পরিবার।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:০৬
কাকদ্বীপে শিশুর ভাঙা হাতে ভুল প্লাস্টারের অভিযোগ।

কাকদ্বীপে শিশুর ভাঙা হাতে ভুল প্লাস্টারের অভিযোগ। —ফাইল চিত্র।

ভাঙা হাত নিয়ে নার্সিং হোমে গিয়েছিল পাঁচ বছরের শিশু। কিন্তু প্লাস্টারের ভুল বাঁধনে সেই হাত অকেজো হয়ে গিয়েছে। কাকদ্বীপের সেই ঘটনায় এ বার আরও কঠোর পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। সংশ্লিষ্ট নার্সিং হোমটিকে বন্ধই করে দেওয়া হল। বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশনে রিপোর্ট দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছেন মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। তবে শিশুর পরিবার এখনও কোনও ক্ষতিপূরণ পায়নি।

Advertisement

পড়ে গিয়ে হাত ভেঙে গিয়েছিল কাকদ্বীপের ওই শিশুর। প্রথমে পরিবারের তরফে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় এক ‘হাতুড়ে’ ডাক্তারের কাছে। পরে সেখান থেকে কাকদ্বীপের নার্সি হোমে যান শিশুর বাবা-মা। নার্সিং হোমের চিকিৎসকই শিশুর ভাঙা হাতে প্লাস্টার করে দেন। পরিবারের অভিযোগ, প্লাস্টার করার পরেও হাতে ব্যথা কমেনি। কারণ তার কাস্টিং এতটাই কষে করা হয়েছিল যে, শিশুর হাতে গ্যাংরিন শুরু হয়ে যায়। একাধিক বার নার্সিং হোমে গেলেও এই সমস্যার কোনও সুরাহা হয়নি। বরং ব্যথা দিন দিন বাড়তে থাকে।

কাকদ্বীপের নার্সিং হোম থেকেই প্লাস্টার কেটে গ্যাংরিনের কথা জানতে পারেন চিকিৎসকেরা। শিশুকে এর পর ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়। সেখান থেকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে তাকে নিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যেরা। তিন বার অস্ত্রোপচারের পর শিশুটির হাত বাঁচানো গিয়েছে। তবে তা অকেজো হয়ে গিয়েছে, জানান চিকিৎসকেরা।

এই ঘটনায় শিশুটির পরিবারকে তিন লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল স্বাস্থ্য কমিশন। শিশুটিকে শারীরিক অক্ষমতার শংসাপত্রও দিতে বলা হয়। মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন, শংসাপত্র পেয়ে গিয়েছে ওই শিশু। তবে এখনও তার পরিবার পায়নি ক্ষতিপূরণ। নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষ মালিকানা বদলের অজুহাত দিয়েছে। তবে ক্ষতিপূরণ দিতেই হবে, জানিয়েছে কমিশন।

Advertisement
আরও পড়ুন