Calcutta High Court

অভিযুক্ত ‘ল ফার্ম’, তদন্তের নির্দেশ দিল হাই কোর্ট

মামলাকারীর আইনজীবী নীলাদ্রিশেখর ঘোষের বক্তব্য, ওই ল ফার্ম আদৌ বৈধ কিনা এবং যাঁরা নিজেদের আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন তাঁরা আদৌ বৈধ আইনজীবী কিনা, সে ব্যাপারে তদন্ত প্রয়োজন।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৯ মার্চ ২০২৬ ০৬:৪১
কলকাতা হাই কোর্ট।

কলকাতা হাই কোর্ট। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ভুয়ো মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে মধ্য কলকাতার একটি আইনি সংস্থার (ল ফার্ম) বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। সম্প্রতি বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের নির্দেশ, পুলিশ অভিযোগের বিশদ তদন্ত করবে। আপাতত এই নির্দেশ দিয়েই মামলার নিষ্পত্তি করা হলেও মামলাকারী পরবর্তী সময়ে প্রয়োজন মতো ফের এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ করতে পারবে। পুলিশ সূত্রের খবর, বিভিন্ন ক্ষেত্রে জমি এবং অন্যান্য বিবাদে ওই ল ফার্ম মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে কাজ হাসিল করার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তার ভিত্তিতে এফআইআর রুজু করা হয়েছে। এই কাজে ওই ল ফার্মের কয়েক জন মহিলা কর্মীর নাম অভিযোগে উঠে এসেছে।

মামলাকারীর আইনজীবী নীলাদ্রিশেখর ঘোষের বক্তব্য, ওই ল ফার্ম আদৌ বৈধ কিনা এবং যাঁরা নিজেদের আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন তাঁরা আদৌ বৈধ আইনজীবী কিনা, সে ব্যাপারে তদন্ত প্রয়োজন। প্রসঙ্গত, কলকাতা পুুলিশে অভিযোগ জানিয়ে লাভ না হওয়ায় মামলাকারী হাই কোর্টে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার মামলা দায়ের করেন। সেই মামলা শুরু হওয়ার পরে গিরিশ পার্ক থানা মামলা রুজু করে বলে কোর্টের খবর।

কোর্ট সূত্রের খবর, মধ্য কলকাতার একটি পরিবারের অভিযোগ যে একটি জমি বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় এক নির্মাণ ব্যবসায়ীর হয়ে ওই ল’ ফার্ম মাঠে নামে এবং বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা মামলায় জড়াতে শুরু করে। প্রাথমিক সারবত্তা না থাকায় সেই সব মামলা ইতিমধ্যেই হাই কোর্ট স্থগিত করে দিয়েছে। তার পরেও অন্যান্য মামলায় জড়ানোর চেষ্টা হয়েছে। নীলাদ্রিশেখর জানান, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে মহিলাঘটিত মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগও আছে এবং দেখা গিয়েছে যে ওই সংস্থার কয়েক জন মহিলা কর্মীরাই সেই সব অভিযোগ দায়ের করছেন। তাঁরা নিজেদের আইনজীবী হিসেবে দাবি করলেও তাঁদের আইন বা কলেজের কোনও ডিগ্রি নেই। এই গোটা বিষয়ের পিছনে কোনও ‘প্রভাবশালী’ হাত আছে কিনা, তা নিয়েও তদন্ত প্রয়োজন বলে তাঁর দাবি।

আরও পড়ুন