Cash Recovery

ভোটের মুখে কলকাতায় এক কোটিরও বেশি টাকা উদ্ধার করল ইডি! তল্লাশিতে সোনা পাপ্পুর বাড়িতে মিলল অস্ত্রও

সোনা পাপ্পুর বাড়ির পাশাপাশি দক্ষিণ কলকাতার আরও বেশ কয়েকটি জায়গায় ইডি হানা দিয়েছিল। অভিযান চলে বালিগঞ্জের এক ঠিকাদার সংস্থার অফিসেও।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০১ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:১৫
ইডির অভিযানে উদ্ধার টাকা।

ইডির অভিযানে উদ্ধার টাকা। ছবি: সংগৃহীত।

কলকাতায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর অভিযানে ফের উদ্ধার হল নগদ টাকা। এক সংস্থার কর্তার বেহালার বাড়ি থেকে নগদ এক কোটিরও বেশি টাকা উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে দক্ষিণ কলকাতার কসবা এলাকার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দারের বাড়ি থেকেও।

Advertisement

বুধবার সকাল থেকেই সোনা পাপ্পুর সঙ্গে সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চালান ইডির আধিকারিকেরা। ইডি সূত্রে খবর, কসবা, বালিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন সোনা পাপ্পু। সেই সূত্র ধরেই অভিযান শুরু করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা। সূত্র মারফত ইডি আধিকারিকেরা জানতে পারেন, তিনি নাকি বিভিন্ন নির্মাণসংস্থার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা তুলতেন এবং তাঁর মাধ্যমেই সেই টাকা বিভিন্ন প্রভাবশালীদের কাছে পৌঁছে যেত, এমন অভিযোগও পেয়েছে ইডি। সূত্রের দাবি, এই সংক্রান্ত অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখতেই বুধবার সোনা পাপ্পুর বাড়ি-সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় অভিযান চালান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা।

সোনা পাপ্পুর বাড়ির পাশাপাশি দক্ষিণ কলকাতার আরও বেশ কয়েকটি জায়গায় ইডি হানা দিয়েছিল। অভিযান চলে বালিগঞ্জের এক ঠিকাদার সংস্থার অফিসেও। জানা যাচ্ছে, ওই সংস্থার কর্তা জয় কামদারের বেহালার বাড়ি থেকেই এই টাকা পাওয়া গিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে একটি অস্ত্রও উদ্ধার হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর।

অনেকে দাবি করেন, সোনা পাপ্পু দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল সভাপতি তথা রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী দেবাশিস কুমারের ঘনিষ্ঠ। ঘটনাচক্রে সেই দেবাশিসকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার ডেকেছিল ইডি। তার দু’দিন পরেই সোনা পাপ্পুর বাড়িতে এই অভিযান। কিছু দিন আগে রবীন্দ্র সরোবরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাতে সোনা পাপ্পুর নাম জড়িয়েছিল। কিন্তু এখনও পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করতে পারেনি। গোলপার্কে দুই গোষ্ঠীর ওই সংঘর্ষ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়ায় বার বার উঠে এসেছে সোনা পাপ্পুর দলবলের নাম। তারাই এলাকায় অশান্তি করেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের একাংশের। যদিও সোনা পাপ্পু দাবি করেছিলেন, ওই গোষ্ঠী সংঘর্ষে তিনি কোনও ভাবেই যুক্ত নন।

Advertisement
আরও পড়ুন