Shantanu Biswas and ED

জমি দুর্নীতির পর বালি পাচার মামলায় ইডি-র ডাক কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনুকে! তলব প্রাক্তন এক ডিএম-কেও

বুধবার, প্রথম দফা ভোটের দিন শান্তনু সিংহ বিশ্বাসকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছে। ওই মামলাতেই ঝাড়গ্রামের প্রাক্তন জেলাশাসক সুনীল অগ্রবালকেও তলব করা হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৩৮

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

জমি দুর্নীতির তদন্তে নেমে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহ বিশ্বাসকে আগেই তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এ বার বালি পাচার মামলাতেও কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি-কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তারা। তবে গত রবিবার ফার্ন রোডে শান্তনুর বাড়িতে ইডি-র হানা ইস্তক তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।

Advertisement

ইডি সূত্রে খবর, বুধবার, প্রথম দফা ভোটের দিন শান্তনুকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছে। ওই মামলাতেই ঝাড়গ্রামের প্রাক্তন জেলাশাসক সুনীল অগ্রবালকেও তলব করা হয়েছে। বালি পাচার মামলার তদন্তে সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হানা দিয়েছেন তদন্তকারীরা। জেলায় জেলায় অভিযান চালিয়েছে ইডি। কিন্তু শান্তনু এবং সুনীলকে ঠিক কোন প্রেক্ষিতে এবং বালি পাচারের কোন মামলায় তলব করা হচ্ছে, তা এখনও পরিষ্কার নয়।

ইতিমধ্যে ভিন্ন মামলায় বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদারের সঙ্গে শান্তনু এবং তাঁর পরিবারের যোগসূত্রের দাবি তুলেছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, নিজের প্রভাব খাটিয়ে প্রোমোটার জয়কে জমি পাইয়ে দিতে সাহায্য করতেন শান্তনু। ইডি দাবি করে, মূলত তিন ধরনের জমি ছিল জয়দের ‘টার্গেট’— যুগ্ম মালিকানা থাকা জমি, ভাড়াটে নিয়ে জটিলতা রয়েছে এমন জমি এবং যে জমির মালিক কর্মসূত্র বা অন্য কোনও কারণে রাজ্যের বাইরে থাকেন। কেন্দ্রীয় সংস্থা দাবি করেছে রাজ্য এবং কলকাতা পুলিশের বিভিন্ন স্তরে নিবিড় যোগাযোগ ছিল ধৃত জয়ের। তাঁদের মধ্যে অন্যতম কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু। এমনকি তদন্তকারীদের দাবি, শান্তনুর দুই পুত্র সায়ন্তন এবং মণীশের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল জয়ের। অভিযুক্তের কাছ থেকে পাওয়া ডায়েরিতে বিভিন্ন পুলিশ আধিকারিককে দেওয়া উপহার সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে ‘শান্তনু স্যর’-এর নামও। শান্তনুর বাড়ির প্লট ৫ এ ফার্ন রোডে জয় একটি বেআইনি নির্মাণ করছিলেন বলে জানতে পেরেছেন তাঁরা।

Advertisement
আরও পড়ুন