Kolkata Crime

অন্ধকার রাস্তায় গাড়ি ঢোকালেন চালক! যাত্রীকে নামতে বলে ছিনতাই সোনার চেন, ছ’ঘণ্টায় উদ্ধার কলকাতা পুলিশের

গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টা নাগাদ শোভাবাজার ক্রসিং থেকে চারচাকার গাড়ি ভাড়া করেছিলেন যুবক। অভিযোগ, গাড়ি অন্ধকার গলিতে ঢুকিয়ে চালক তাঁর গলা থেকে সোনার চেন ছিনিয়ে নেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:০৮
গাড়ি থেকে নামতে বলে যাত্রীর সোনার চেন ছিনতাই করে চম্পট দিলেন চালক।

গাড়ি থেকে নামতে বলে যাত্রীর সোনার চেন ছিনতাই করে চম্পট দিলেন চালক। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

রাতের কলকাতায় গাড়ি থেকে ছিনতাই হয়ে গেল যাত্রীর সোনার চেন! ভাড়া করা গা়ড়িতে করে বাড়ি ফিরতে গিয়ে বিপত্তির মুখে পড়লেন যুবক। তবে কলকাতা পুলিশের তৎপরতায় তাঁর চেন উদ্ধার করা গিয়েছে। ধরা পড়়েছেন অভিযুক্তও। ছ’ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে সোনার চেন উদ্ধার করে দিয়েছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টা নাগাদ শোভাবাজার ক্রসিং থেকে চারচাকার গাড়ি ভাড়া করেছিলেন রামজি তিওয়ারি নামের ৪১ বছরের যুবক। ফিরছিলেন রাজারহাট মেন রোডে তাঁর বাড়িতে। তাঁর গলায় একটি সোনার চেন ছিল। অভিযোগ, যেতে যেতে হঠাৎ চালক গাড়িটিকে একটি অন্ধকার রাস্তায় ঢুকিয়ে দেন। তার পর যুবককে গাড়ি থেকে নেমে যেতে বলেন।

যুবক গাড়ি থেকে নামতে গেলেই তাঁর গলার চেনটি ছিনিয়ে নেন চালক। তার পর গাড়ি নিয়ে চম্পট দেন। ১১ ফেব্রুয়ারি এই ঘটনায় উল্টোডাঙা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন যুবক। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ। শুরু হয় তদন্ত।

কলকাতা পুলিশের ছিনতাইবিরোধী শাখা অভিযোগকারীর সঙ্গে কথা বলে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট গাড়়িটিকে চিহ্নিত করা হয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গা়ড়িটি চার বার হাতবদল হয়েছে। বর্তমানে ওই গাড়ির মালিক কে, তা খুঁজে বার করেন তদন্তকারীরা। অচিরেই অভিযুক্ত চালকের খোঁজ মেলে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করে নেন। অভিযুক্তের নাম রাজা শর্মা। তিনি মানিকতলার বাসিন্দা। তাঁর কাছ থেকে সোনার চেনটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তকে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গা়ড়ি চিহ্নিত করা থেকে শুরু করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার এবং চেন উদ্ধার পর্যন্ত গোটা বিষয়টি সম্পন্ন হয়েছে মাত্র ছ’ঘণ্টায়।

Advertisement
আরও পড়ুন