Mohammad Shami in SIR

বাংলার হয়ে খেলতে ব্যস্ত মহম্মদ শামি, এসআইআরের শুনানিতে আপাতত হাজিরা দিতে পারছেন না ভারতীয় জোরে বোলার

ক্রিকেট খেলে বাড়িতে ফিরে এলেই নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে এসআইআর সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হবেন ভারতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:৫৬
মহম্মদ শামি।

মহম্মদ শামি। — ফাইল চিত্র।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (এসআইআর)-র শুনানি পর্ব চলছে। এ বার সেই পর্বে ডাক পেলেন ভারতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামি। সোমবার যাদবপুরের কার্জননগর স্কুলের শুনানিতে ডাকা হয়েছিল তাঁকে। ক্রিকেট খেলার ব্যস্ততার কারণে শহরে নেই সামি। তাই পরিবারের পক্ষ থেকে কমিশনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আপাতত শুনানিতে হাজিরা দিতে পারছেন না তিনি। ক্রিকেট খেলে বাড়িতে ফিরে এলেই নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে এসআইআর সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হবেন ভারতীয় দলের এই জোরে বোলার।

Advertisement

ঘরোয়া ক্রিকেটে বিজয় হজারে ট্রফিতে বাংলার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে বর্তমানে রাজকোটে রয়েছেন শামি। ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সেখানেই থাকার কথা। তার পর বাংলা যদি পরবর্তী রাউন্ডে ওঠে, সে ক্ষেত্রে ১২ জানুয়ারি থেকে ফের ব্যস্ত হয়ে পড়তে হবে তাঁকে। মাঝে ৯-১১ জানুয়ারি পর্যন্ত তাঁর কাছে এসআইআরের শুনানিতে হাজিরা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানাচ্ছে নির্বাচন কমিশনের একটি সূত্র। কলকাতা পুরসভার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার শামি। রাসবিহারী বিধানসভার অংশ এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দাস এই হাইপ্রোফাইল ক্রিকেটারের এসআইআর সংক্রান্ত বিষয়ে যাবতীয় খবরাখবর রাখছেন। তিনি বলেন, ‘‘কার্জননগরের যে স্কুলে এসআইআরের শুনানি চলছে, তার কাছেই মহম্মদ শামির বাসভবন। তিনি যখন রাজ্যের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে ভিন্‌রাজ্যে খেলতে গিয়েছেন, তখন আমাদেরও দায়িত্ব তাঁর এসআইআর সংক্রান্ত যাবতীয় জটিলতার বিষয় তাঁকে যথাযথ ভাবে সহযোগিতা করা। আমরা সহযোগিতার জন্য সব রকম ভাবে প্রস্তুত রয়েছি।’’

কাউন্সিলর আরও জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট বিএলও-র সঙ্গে যোগাযোগ করে এই বিষয়ে উদ্যোগী হবেন তিনি। পাশাপাশি শাসকদলের বিএলএ এবং বিএলএ-২-রাও শামিকে এসআইআরের শুনানিতে সহযোগিতা করবেন। অন্য দিকে, সোমবার এসআইআরের শুনানিতে তলব করা হয়েছে ওই ওয়ার্ডের বাসিন্দা অভিনেতা কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিনেত্রী লাবনী সরকারকে। তাঁরা দু’জনেই সাউথ সিটি আবাসনের বাসিন্দা।

Advertisement
আরও পড়ুন