—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
আবাস যোজনার তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে। কেন এবং কী কারণে এমনটা হল, তার খোঁজখবর করতে বিডিও অফিসে গিয়েছিলেন বধূ। কিন্তু সেখানেও সুরাহা না-হওয়ায় সরকারি দফতরের মধ্যেই বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন তিনি। সোমবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, আত্মহত্যার চেষ্টা করেন শুকতারা বিবি নামে ৪৫ বছরের এক মহিলা। অভাবের সংসার তাঁদের। আবাস যোজনায় বাড়ি পাওয়ার আশা করেছিলেন। আবাসের প্রথম তালিকায় তাঁর নামও ছিল। কিন্তু পরে কোনও কারণে নাম বাদ পড়ে। সেই কারণ জানতে সোমবার হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লক দফতরে হাজির হন শুকতারা। সেখানেই বিষপান করেন তিনি।
গুরুতর অবস্থায় মহিলাকে উদ্ধার করেন ব্লকের যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) সোনাম ওয়াংদি লামা। নিজের গাড়িতে মহিলাকে নিয়ে তিনি হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে যান। আপাতত সেখানেই চিকিৎসা চলছে বধূর।
বিজেপির অভিযোগ, প্রকৃত উপভোক্তাকে বঞ্চিত করেছেন তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব। শুকতারার ঘটনা তারই প্রমাণ। বিজেপির এক নেতার কথায়, ‘‘শাসকদলের দুর্নীতির কারণে প্রকৃত উপভোক্তারা ঘর পায় না। এই কারণেই কেন্দ্র টাকা বন্ধ করেছে।’’ অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছে তৃণমূল। তারা জানিয়েছে, প্রশাসনের তরফে খোঁজখবর করা হচ্ছে। এ নিয়ে অযথা রাজনীতির চেষ্টা হচ্ছে।
অন্য দিকে, ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে চাঁচলের মহকুমা শাসককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মালদহের জেলাশাসক প্রীতি গোয়েলের। কীটনাশক পান করার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেও জেলাশাসক জানিয়েছেন, ওই পরিবারের পাকা বাড়ি রয়েছে। সেই কারণেই প্রথম তালিকায় নাম থাকলেও তদন্তের পর দ্বিতীয় তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ যায়। তবে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।