kidnapped

অপহরণে অভিযুক্তের সঙ্গে বিয়ের ছবি সমাজমাধ্যমে! কন্যার ছবি নিয়ে শিলিগুড়ির তৃণমূল কাউন্সিলর বললেন, ‘প্রমাণ নেই’

১১ ফেব্রুয়ারি থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন কাউন্সিলর এবং তাঁর স্বামী। তাঁদের মেয়ের মোবাইল ট্র্যাক করার পাশাপাশি বিভিন্ন সূত্রকে কাজে লাগিয়ে তরুণীকে উদ্ধারের চেষ্টা শুরু করে পানিট্যাঙ্কি আউটপোস্টের তদন্তকারী অফিসারেরা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:২৩

— নিজস্ব চিত্র।

তৃণমূল কাউন্সিলরের মেয়েকে অপহরণ করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল এক যুবককে। ধৃতের নাম সুশান্ত সাহা। মেয়েকে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন শিলিগুড়ি পুরনিগমের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শ্রাবণী দত্ত। এর পর তদন্তে নেমে অপহরণকারীকে গ্রেফতার করে পানিট্যাঙ্কি আউটপোস্টের পুলিশ। এই আবহে অভিযুক্তের সঙ্গে তরুণীর বিয়ের ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে (আনন্দবাজার ডট কম তার সত্যতা যাচাই করেনি)। কাউন্সিলরের দাবি, মেয়ের বিয়ের প্রমাণ তিনি পাননি। তরুণীর বক্তব্য মেলেনি এই বিষয়ে।

Advertisement

সূত্রের খবর, সাত দিন আগে শ্রাবণীর মেয়ে নিখোঁজ হয়ে যান। ১১ ফেব্রুয়ারি থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন কাউন্সিলর এবং তাঁর স্বামী। তাঁদের মেয়ের মোবাইল ট্র্যাক করার পাশাপাশি বিভিন্ন সূত্রকে কাজে লাগিয়ে তরুণীকে উদ্ধারের চেষ্টা শুরু করে পানিট্যাঙ্কি আউটপোস্টের তদন্তকারী অফিসারেরা। অবশেষে স্বস্তি মেলে শুক্রবার।

শিলিগুড়ি শহরের ভক্তিনগর থানার সরকার পাড়া এলাকা থেকে শ্রাবণীর মেয়েকে উদ্ধার করা হয়। তাঁকে অপহরণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করে পানিট্যাঙ্কি আউটপোস্টের পুলিশ। অভিযুক্ত সুশান্তকে শুক্রবার শিলিগুড়ি আদালতে হাজির করানো হয়। তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ডিসিপি রাকেশ সিংহ বলেন, ‘‘গত ১১ তারিখে একটি অপহরণের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। তদন্তে নেমে যুবতীকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং অপহরণের অভিযোগে সুশান্ত সাহাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই অপহরণের নেপথ্যে অভিযুক্তের কী উদ্দেশ্য রয়েছে, তার তদন্ত করছে পুলিশ।’’

অন‍্য দিকে, এই আবহে অভিযুক্তের সঙ্গে তরুণীর বিয়ের ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কাউন্সিলর শ্রাবণী বলেন, ‘‘ওই যুবক চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েকে অপহরণ করেছে৷’’ বিয়ের ছবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘মেয়েকে যখন আমরা পেয়েছি, তখন বিয়ের কোনও প্রমাণ পাইনি।’’ এই বিষয়ে তরুণী এখনও কোনও মন্তব্য করেননি।

উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে কালীপুজোর প্রতিমা নিরঞ্জনের রাতে একটি বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন শ্রাবণী এব‌ তাঁর মেয়ে। সেই ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরে তাঁকে মেয়র পারিষদ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

Advertisement
আরও পড়ুন