Joining CPM

‘ঘাসফুল আর কোথায়?’ কাজল-কেষ্টর জেলায় তৃণমূল ছেড়ে সিপিএমে যোগ দিল অন্তত ১৫০ পরিবার!

সিপিএমে এই যোগদান পর্বটি হয়েছে বীরভূমের দুবরাজপুর ব্লকের লক্ষ্মীনারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কয়থানপুর গ্রামে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬ ২১:২৭
Joining CPM

বীরভূমে সিপিএমের পতাকা তুলে নিলেন কয়েকশো মানুষ। —নিজস্ব চিত্র।

বিধানসভা ভোটের ফলাফলের পর তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে একহাত নিয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তার পর থেকে তিনি আড়ালেই। হাসন আসন জিতলেও কাজল শেখকেও আর দলীয় কর্মসূচিতে বিশেষ দেখা যায়নি। বস্তুত, রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের যে ছন্নছাড়া ছবি, বীরভূম তার ব্যতিক্রম নয়। এই আবহে অনুব্রত-কাজলের জেলায় প্রায় দেড়শো পরিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগ দিল সিপিএমে। তাদের দাবি, এত দিন সক্রিয় ভাবে তৃণমূল করেছে। কিন্তু সেই দল আজ অস্তিত্বহীন। তাই বিজেপির সঙ্গে লড়াই করার জন্য সিপিএম-ই তাদের ভরসা।

Advertisement

সিপিএমে এই যোগদান পর্বটি হয়েছে বীরভূমের দুবরাজপুর ব্লকের লক্ষ্মীনারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কয়থানপুর গ্রামে। রবিবার ওই গ্রামের প্রায় ১৫০ পরিবার তৃণমূল ছাড়ার কথা জানিয়েছে। সেখানে তৃণমূল নেতা যেমন রয়েছেন, আছেন কর্মীও। সিপিএমে তাঁদের স্বাগত জানান বক্রেশ্বর এরিয়া কমিটির সম্পাদক সুপ্রিয় ভট্টাচার্য। ওই সিপিএম নেতার কথায়, ‘‘বিজেপির বিরুদ্ধে এক এবং একমাত্র লড়াই করতে পারে সিপিএম। এই বিশ্বাস থেকেই গ্রামের মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে লাল পতাকার তলায় সমবেত হয়েছেন।’’ তিনি জানান, ওই পরিবারগুলো অনেক দিন ধরে রাজ্যের পূর্বতন শাসকদলের সমর্থক ছিল। পরিবারের কেউ ছিলেন নেতা, কেউ কর্মী। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে তাঁরা সকলেই সিপিএমে যোগ দিতে চেয়েছিলেন। তাই স্থানীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে কর্মসূচির মাধ্যমে ওই পরিবারগুলির সদস্যদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়েছে।

সিপিএমে যোগ দিয়ে রিজওয়ান শেখ বলেন, ‘‘বর্তমানে তৃণমূলের কোনও অস্তিত্ব নেই। মানুষের জন্য কাজ করার মতো সঠিক মানসিকতা একমাত্র সিপিএমেরই আছে। দীর্ঘ দিন তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত থাকার পর আমরা সকলে হতাশ। বর্তমানে বিজেপির সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা কেবলই সিপিএমের রয়েছে।’’

Advertisement
আরও পড়ুন