Dearness Allowance

ডিএ প্রদানের বিষয়ে অনিশ্চয়তা কাটাতে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ চাইল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ, দেওয়া হল ডেপুটেশন

২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের রাজ্য বাজেটে ৫ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত ৪ শতাংশ ডিএ এখনও কার্যকর করা হয়নি। এপ্রিল ২০২৬ থেকে এই বাড়তি ডিএ দেওয়ার কথা থাকলেও এখনও পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:০১
The Sangrami Joutha Mancha sought the Election Commissions intervention to resolve the uncertainty regarding the payment of DA

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ৪ শতাংশ মহার্ঘভাতা (ডিএ) প্রদানের বিষয়ে অনিশ্চয়তা কাটাতে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ চাইল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। এই মর্মে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছে সংগঠনটি।

Advertisement

সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের রাজ্য বাজেটে ঘোষিত ৪ শতাংশ ডিএ এখনও কার্যকর করা হয়নি। এপ্রিল ২০২৬ থেকে এই বাড়তি ডিএ দেওয়ার কথা থাকলেও এখনও পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। এমনকি সংশোধিত বেতন বিলও প্রক্রিয়াকরণ করা হয়নি বলে দাবি সংগঠনের।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন স্তরের সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও অশিক্ষক কর্মীদের মধ্যে এই বিলম্ব ঘিরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে, রাজ্য সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন জনসভা ও সাংবাদিক বৈঠকে দাবি করছেন যে, নির্বাচন কমিশনের অনুমতি না থাকায় এই ডিএ কার্যকর করা যাচ্ছে না। শাসকদল তৃণমূলও একই বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করেছে বলে দাবি সংগঠনের।

তবে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের বক্তব্য, এই ৪ শতাংশ ডিএ সংক্রান্ত ঘোষণাটি নির্বাচন ঘোষণার আগেই হয়েছিল। ফলে আদর্শ আচরণবিধির অজুহাতে তা আটকে রাখা যুক্তিযুক্ত নয়। এই বিষয়টি ইতিমধ্যেই সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশ পেয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২১ এপ্রিল অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় নথি, সংবাদপত্রের কাটিং, বক্তব্যের স্ক্রিনশট ও অন্যান্য প্রমাণও জমা দেওয়া হয়েছে।

চিঠির শেষে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে, এই বিষয়ে দ্রুত স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করতে এবং রাজ্যের অর্থ দফতরকে প্রয়োজনীয় অনুমোদন দেওয়ার ব্যবস্থা করতে। যাতে করে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা কর্মচারীরা তাঁদের প্রাপ্য মহার্ঘভাতা দ্রুত পেতে পারেন। এই দাবিকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

Advertisement
আরও পড়ুন