Iran War

পেট্রোপণ্য রফতানিতে বিধিনিষেধ জারি করতে চলেছে রাশিয়া! ইরানে যুদ্ধের আবহে কী কৌশল পুতিনের?

রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী আলেকজ়ান্ডার নোভাক শুক্রবার সে দেশের জ্বালানি মন্ত্রককে ১ এপ্রিল থেকে গ্যাসোলিন (বিমানে ব্যবহত পেট্রো-জ্বালানি) রফতানি নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবের খসড়া তৈরি করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৮ মার্চ ২০২৬ ১৪:২৫
Amid war situation in West Asia, Russia to introduce ban on gasoline exports from April 1

ভ্লাদিমির পুতিন। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ় প্রণালীতে অবরোধের জেরে বিশ্ব জুড়ে তৈরি হয়েছে জ্বালানি সঙ্কট। সঙ্কটের এই আবহে এ বার পেট্রোপণ্য রফতানির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপের বার্তা দিল রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সরকার! সে দেশের সরকারি সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে।

Advertisement

রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী আলেকজ়ান্ডার নোভাক শুক্রবার সে দেশের জ্বালানি মন্ত্রককে ১ এপ্রিল থেকে গ্যাসোলিন (বিমানে ব্যবহত পেট্রো-জ্বালানি) রফতানি নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবের খসড়া তৈরি করতে নির্দেশ দিয়েছেন। রাশিয়ার সরকার সংবাদসংস্থা ‘তাস’ এই খবর জানিয়ে বলেছে, আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত বিধিনিষেধ কার্যকর থাকতে পারে। মস্কোর এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ববাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হতে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের বিশ্লেষণ, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রো-জ্বালানির দাম ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে মূল্য নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যেই ক্রেমলিনের এই পদক্ষেপ। রুশ সরকার শুক্রবার জানিয়েছে, অশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণের পরিমাণ গত বছরের মতোই রয়েছে। এর ফলে যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও পোট্রোপণ্যের সরবরাহ স্থিতিশীল রয়েছে। গত বছর রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলা এবং মৌসুমি চাহিদা বৃদ্ধির কারণে কয়েকটি অঞ্চলে গ্যাসোলিন ও পেট্রলের ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। গত বছর রাশিয়া প্রায় ৫০ লক্ষ মেট্রিক টন জ্বালানি রফতানি করেছিল। যা দৈনিক প্রায় ১ লক্ষ ১৭ হাজার ব্যারেলের সমান। কিন্তু চলতি বছর তা কমানো হতে পারে বলে ‘তাস’-এর ইঙ্গিত।

Advertisement
আরও পড়ুন