Qatar LNG Site Blast

কাতারে গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্রে আচমকা বিস্ফোরণ! কেঁপে উঠল গোটা শিল্পনগরী, আহত অন্তত ৫৪, খোঁজ নেই ১৮ জনের

পশ্চিম এশিয়ায় সংঘর্ষের সময়ে গত মার্চে রাস লাফানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইরান। তার প্রভাব পড়েছিল বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে প্রাকৃতিক গ্যাসের জোগানে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২২ জুন ২০২৬ ০৯:৪১
কাতারের রাস লাফান শহরের গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র।

কাতারের রাস লাফান শহরের গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র। — ফাইল চিত্র।

বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাতারের অন্যতম বড় গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র। রবিবার রাতে কাতারের শিল্পনগরী রাস লাফানে একটি বিস্ফোরণ হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত বিস্ফোরণে ৫৪ জন আহত হওয়ার খবর মিলেছে। আরও ১৮ জনের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

Advertisement

রাস লাফান কাতারের তো বটেই, গোটা বিশ্বের অন্যতম বড় প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন এবং রফতানি কেন্দ্র। কী কারণে রবিবার রাতে এই বিস্ফোরণটি হয়েছে, তা প্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট নয়। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘর্ষের সময়ে গত মার্চে রাস লাফানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইরান। তার প্রভাব পড়েছিল বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে প্রাকৃতিক গ্যাসের জোগানে। তবে রবিবারের বিস্ফোরণকে একটি দুর্ঘটনা বলেই জানিয়েছেন কাতারের কর্তৃপক্ষ।

বিস্ফোরণের পর রাতেই একটি বিবৃতি জারি করে সে দেশের সরকার নিয়ন্ত্রিত জ্বালানি সংস্থা ‘কাতার এনার্জি’। তারা জানিয়েছে, রাস লাফানের বারজান এলাকায় একটি গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে বিস্ফোরণ হয়। তার পরে সেখানে আগুন ধরে যায়। দ্রুত ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানায় সংস্থা।

উল্লেখ্য, রাস লাফানের যে গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্রে বিস্ফোরণটি হয়েছে, সেখান থেকে সে দেশের ঘরোয়া বাজারে এলএনজি সরবরাহ করা হত। বিস্ফোরণের ফলে ওই গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্রে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট ভাবে জানায়নি কাতার এনার্জি। এই বিবৃতির পর পরই কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকও পৃথক ভাবে একটি বিবৃতি জারি করে। সরকারের তরফে জানানো হয়, বিস্ফোরণে ৫৪ জন আহত হয়েছেন। ১৮ জনের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁদের সন্ধান পেতে তল্লাশি অভিযান চলছে। রবিবার রাতের এই বিস্ফোরণকে একটি দুর্ঘটনা বলেই মনে করছে কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের পক্ষের ঝুঁকিপূর্ণ কোনও গ্যাস রাস লাফানে নিঃসরিত হয়নি বলেও জানিয়েছে কাতারের সরকার।

Advertisement
আরও পড়ুন