Keir Starmar-Donald Trump

স্টার্মারের প্রশংসা করেও কটাক্ষ ট্রাম্পের

মঙ্গলবার স্টার্মার প্রশাসনের তরফে সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়েছে, নতুন প্রধানমন্ত্রী শপথ না নেওয়া পর্যন্ত সরকার আপাতত কোনও বড় নীতি নির্ধারণ করবে না। খরচ সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্তও স্থগিত রাখা হবে।

সংবাদ সংস্থা
শেষ আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬ ০৭:৪৮
(বাঁ দিকে) ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)। — ফাইল চিত্র।

সোমবার সকালে তিনি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করার আগেই সমাজমাধ্যমে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছিলেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়র স্টার্মার সে দিনই পদত্যাগ করতে চলেছেন। ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের তরফে এক বিবৃতিতে পরে দাবি করা হয়, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনও ধরনের আলোচনাই করা হয়নি। ট্রাম্প অবশ্য এতেও থেমে থাকেননি। ঠিক কোন কোন কারণের জন্য স্টার্মারকে পদত্যাগ করতে হল, তা ব্যাখ্যা করেছেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট। ওভাল অফিসে একদল সাংবাদিকের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেছেন, ‘‘আমার মনে হয় উনি (স্টার্মার) এক জন দারুণ মানুষ।’’ তবে সেই সঙ্গেই ট্রাম্পের দাবি, অভিবাসন এবং তেল নীতির জন্যই প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি ছাড়তে হল স্টার্মারকে। ট্রাম্পের দ্বিতীয় দফার শাসনকালে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সখ্যও আর আগের মতো ছিল না। সে দিকেও ইঙ্গিত করেছেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট। ডাউনিং স্ট্রিটের তরফে ট্রাম্পের এই মন্তব্য নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

মঙ্গলবার স্টার্মার প্রশাসনের তরফে সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়েছে, নতুন প্রধানমন্ত্রী শপথ না নেওয়া পর্যন্ত সরকার আপাতত কোনও বড় নীতি নির্ধারণ করবে না। খরচ সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্তও স্থগিত রাখা হবে। তবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিনিয়োগ পরিকল্পনা (ডিফেন্স ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান) এর আওতায় পড়বে না। লেবার পার্টির পরবর্তী নেতা হিসেবে কেউ আদৌ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। ৯ জুলাই থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়ার কথা। দলের অন্দরের খবর, লেবার নেতার পদের জন্য কেউ না লড়লে ১৭ বা ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন এমপি অ্যান্ডি বার্নহ্যামকেই দলের নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হবে। সেই মতো তিনিই হবেন ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন