Sri Lanka on US Warplanes

যুদ্ধবিমান নামাতে চেয়ে আমেরিকার আবেদন খারিজ করে দেয় শ্রীলঙ্কা! নিরপেক্ষতার পক্ষে সওয়াল কলম্বোর

শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, দু’টি যুদ্ধবিমানকে আফ্রিকা মহাদেশের ছোট দেশ জিবুতি থেকে উড়িয়ে এনে শ্রীলঙ্কায় অবতরণ করাতে চেয়েছিল আমেরিকা। কিন্তু আমেরিকার আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২০ মার্চ ২০২৬ ১৫:০২

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

শ্রীলঙ্কার একটি বিমানবন্দরে দু’টি যুদ্ধবিমান নামাতে চেয়েছিল আমেরিকা। কিন্তু আমেরিকার সেই আর্জি খারিজ করে দেয় শ্রীলঙ্কা। শুক্রবার শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে এমনটাই জানালেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট অনুরাকুমার দিশানায়েকে।

Advertisement

দিশানায়েকে জানিয়েছেন, গত ৪ মার্চ একটি এবং ৮ মার্চ আরও একটি যুদ্ধবিমান শ্রীলঙ্কার মাত্তালা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করাতে চেয়েছিল আমেরিকা। কিন্তু তাদের সেই অনুমতি দেয়নি কলম্বো।

অনুমতি না-দেওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট। তিনি জানান, বহুমুখী চাপের মধ্যে নিজেদের নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখবে শ্রীলঙ্কা। তাঁর কথায়, “ওরা (আমেরিকা) দু’টি যুদ্ধবিমান অবতরণ করাতে চেয়েছিল। আমরা না বলে দিই। কারণ, আমরা বহুমুখী চাপের মধ্যেও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে চাই।” পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে শ্রীলঙ্কা যথাসম্ভব চেষ্টা করবে বলেও জানিয়েছেন দিশানায়েকে।

শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, দু’টি যুদ্ধবিমানকে আফ্রিকা মহাদেশের ছোট দেশ জিবুতি থেকে উড়িয়ে এনে শ্রীলঙ্কায় অবতরণ করাতে চেয়েছিল আমেরিকা। যুদ্ধবিমানগুলিতে ছিল মোট আটটি জাহাজ ধ্বংসকারী ক্ষেপণাস্ত্র। ঘটনাচক্রে, আমেরিকার তরফে যে দিন প্রথম যুদ্ধবিমানটিকে অবতরণ করানোর অনুমতি চাওয়া হয়, সেই দিনই (৪ মার্চ) শ্রীলঙ্কা উপকূলে ইরানি রণতরী ‘ডেনা’-র উপরে হামলা চালায় মার্কিন ডুবোজাহাজ। টর্পেডো ছুড়ে ইরানের যুদ্ধজাহাজকে ধ্বংস করে দেয় তারা। মৃত্যু হয় ৮৪ জনের। আর ওই জাহাজ থেকে ৩২ জনকে উদ্ধার করে শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনী।

এই ঘটনার দু’দিন পর ইরানের আরও একটি জাহাজ আইআরআইএস বুশেহর কলম্বো বন্দরে ঢোকার অনুমতি চেয়েছিল। জাহাজে ছিলেন ২১৯ জন। শ্রীলঙ্কার সরকার ত্রিঙ্কোমালি বন্দরে জাহাজটিকে ঢোকার অনুমতি দেয়।

Advertisement
আরও পড়ুন