US Iran Tensions

হরমুজ় আপাতত ‘বন্ধ’ থাকলে থাকুক, এখন যুদ্ধ গুটিয়ে আনাকেই আগে গুরুত্ব দিতে হবে! ঘনিষ্ঠবৃত্তে জানিয়েছেন ট্রাম্প

ট্রাম্প প্রশাসন সংঘর্ষকে চার-ছয় স১ৌ২ৌ১১

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৬ ১৪:০৪
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। —ফাইল চিত্র।

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আর বেশি দিন টানতে চাইছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই যুদ্ধ শেষ করার উপরেই বেশি গুরুত্ব দিতে চাইছেন তিনি। তাতে যদি হরমুজ় প্রণালী আপাতত অবরুদ্ধ থেকেও যায়, সেটিতে এখনই অধিক গুরুত্ব দিতে চান না তিনি। ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ জানাচ্ছে, ঘনিষ্ঠবৃত্তের সঙ্গে আলোচনাতেও তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন ট্রাম্প।

Advertisement

হরমুজ় প্রণালীর বেশির ভাগ অংশ যদি অবরুদ্ধও থেকে যায়, তা-ও ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সেনার অভিযান বন্ধ করতে তৈরি ট্রাম্প। ওয়াকিবহাল মার্কিন প্রশাসনিক আধিকারিকদের বক্তব্য, ঘনিষ্ঠমহলে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। এমন হলে হরমুজ় প্রণালীতে তেহরানের নিয়ন্ত্রণ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। সে ক্ষেত্রে এই জলপথকে পুনরায় খোলার জন্য ভবিষ্যতে ফের কোনও এক জটিল অভিযান শুরু করতে হতে পারে বলে জানানো হচ্ছে ওই প্রতিবেদনে।

গত কয়েক দিন ধরেই বিভিন্ন মার্কিন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, এই সংঘর্ষকে আর বেশি দিন টানতে চাইছেন না ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে দ্রুত একটি সমঝোতায় আসতে চাইছেন তিনি। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কিছু বয়ান এবং হুমকিতেও সেই ইঙ্গিতই মিলেছে। মার্কিন আধিকারিক সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, হরমুজ় প্রণালী জোর করে খোলার চেষ্টা করলে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও বেশি সময় ধরে চলতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন এই সংঘর্ষকে চার-ছয় সপ্তাহের বেশি টানতে চাইছে না। ইতিমধ্যে সংঘর্ষের পঞ্চম সপ্তাহ পড়ে গিয়েছে। এ অবস্থায় হরমুজ় জোর করে খুলতে গেলে আমেরিকার পরিকল্পনার চেয়ে আরও বেশি দিন টানতে হতে পারে যুদ্ধ— এমনটাই মনে করছেন ট্রাম্প এবং তাঁর ঘনিষ্ঠেরা।

অনুমান করা হচ্ছে, সম্ভবত সেই কারণেই হরমুজ় খোলার চেয়ে যুদ্ধ গুটিয়ে আনাকেই বেশি গুরুত্ব দিতে চাইছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আপাতত ইরানের নৌবাহিনী এবং ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডারকে অকেজো এবং দুর্বল করে সংঘর্ষ ইতি টানাই মূল লক্ষ্য বলে স্থির করেছেন ট্রাম্প। একই সঙ্গে বাণিজ্যপথ খোলা রাখার জন্য তেহরানের উপরে কূটনৈতিক চাপও দিয়ে যেতে চাইছেন তিনি। আধিকারিক সূত্রে জানানো হচ্ছে, কূটনৈতিক উদ্যোগ ব্যর্থ হলে ইউরোপ এবং উপসাগরীয় বন্ধুদের সাহায্য চাইতে পারে আমেরিকা। হরমুজ় প্রণালী পুনরায় খোলার জন্য আমেরিকার ‘বন্ধুদেশ’গুলিকে এগিয়ে আসার জন্য প্রস্তাব দিতে পারে মার্কিন প্রশাসন।

Advertisement
আরও পড়ুন