Iran-Israel Conflict

ছ’মাস ধরে জোরদার যুদ্ধের রসদ তৈরি আছে, দাবি ইরানের! ইজ়রায়েলের পাল্টা হুঙ্কার, অনেক চমক বাকি আছে এখনও

শনিবারই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দেন, ইরানের বিরুদ্ধে এ বার আরও জোরালো আক্রমণে নামা হবে। তার পরই তেহরান একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে। ইরানের কয়েকটি তৈলভান্ডারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৮ মার্চ ২০২৬ ১৩:৫৯
(বাঁ দিকে) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান। (ডান দিকে) ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ফাইল চিত্র।

(বাঁ দিকে) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান। (ডান দিকে) ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ফাইল চিত্র।

তাদের কমজোরি ভাবার কোনও কারণ নেই। আবার হুঁশিয়ারি দিল ইরান। শুধু তা-ই নয়, শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানের ‘ক্ষমা’ মন্তব্যকে যখন ইরানের ‘আত্মসমর্পণ’ বলে দাবি করেন, তার পর পরই পেজ়েশকিয়ান হুঁশিয়ারি দেন, ইরান আত্মসমর্পণ করছে, এই স্বপ্নই দেখুক আমেরিকা। তার পরই রবিবার ইরান বাহিনী ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করল, আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে আরও আক্রমণাত্মক যুদ্ধের জন্য তাদের কাছে ছ’মাসের রসদ তৈরি আছে।

Advertisement

ফার্স নিউজ এজেন্সি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইআরজিসি-র মুখপাত্র আলি মহম্মদ নৈনি বলেন, ‘‘বর্তমানে যে গতিতে সামরিক সংঘাত চলছে, এই গতিতেই যদি চলতে থাকে, তা হলে আগামী ছ’মাস ইজ়রায়েল এবং আমেরিকার বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রয়েছে আমাদের।’’ ইরানের এই দাবির পরই পাল্টা হুঙ্কার ছুড়েছেন ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ইরানের উদ্দেশে তাঁর হুঁশিয়ারি, ‘‘সবে তো শুরু, আগামী দিনে আরও অনেক চমক বাকি।’’

শনিবারই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দেন, ইরানের বিরুদ্ধে এ বার আরও জোরালো আক্রমণে নামা হবে। তার পরই তেহরান একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে। ইরানের বেশ কয়েকটি তৈলভান্ডারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। তেহরানের পাশাপাশি হামলা চালানো হয় কারাজ শহরেও। ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম রবিবার জানিয়েছে, তেহরানের কাছাকাছি পাঁচটি তৈলভান্ডারে হামলা চালিয়েছে ইজ়রায়েল এবং আমেরিকা। এই হামলায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে। শুধু তেহরানই নয়, শহর-ই-রে, কুহক, কারাজের মতো জায়গাতেও হামলা চালানো হয়েছে। শহর-ই-রে তেলডিপো থেকে গ্যাসোলিন, ডিজ়েল এবং সেনার জন্য জ্বালানি সরবরাহ করা হয়। আর সেই তেলডিপো লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি। এ ছাড়াও আবাদান, বন্দর আব্বাসেও হামলা চালানো হয়েছে।

তবে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরানও। কুয়েত এবং সৌদি আরবে মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে রাতভর ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। যদিও দুই দেশেরই দাবি, সেই হামলাকারী ড্রোনগুলিকে গুলি করে নামানো হয়েছে। অন্য দিকে, কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, তাদের লক্ষ্য করে ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দু’টি ক্রুজ় ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইরান। যদিও সবক’টি হামলাই রুখে দিতে পেরেছে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। তেল আভিভেও মুহুর্মুহু ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে ইরানের দাবি।

Advertisement
আরও পড়ুন