business news

মুকেশের রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ ঋণ-মুক্ত হল লকডাউনেই

শেয়ার ও রাইটস ইস্যু বেচে মোট ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলার ঘরে আসায় রিলায়্যান্সের ঋণ-মুক্তি ঘট‌েছে। তাতে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত সংস্থার ঘাড়ে আর ঋণের বোঝা চাপবে না।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৯ জুন ২০২০ ১৪:৫২
Share:

শিল্পপতি মুকেশ অম্বানী। ছবি: টুইটারের সৌজন্যে।

বাজারে আর কোনও ঋণই থাকল না শিল্পপতি মুকেশ অম্বানীর সংস্থা রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজের। এপ্রিলে গোটা বিশ্ব যখন পুরোপুরি থমকে গিয়েছিল লকডাউনে মুকেশের সংস্থার ঋণ-মুক্তি ঘটল ঠিক সেই সময়েই।

Advertisement

রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজের তরফে শুক্রবার এই খবর দিয়ে জানানো হয়েছে, শেয়ার ও রাইটস ইস্যু বেচে মোট ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলার ঘরে আসায় রিলায়্যান্সের ঋণ-মুক্তি ঘট‌েছে। তাতে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত সংস্থার ঘাড়ে আর ঋণের বোঝা চাপবে না।

লকডাউনের সময় কী ভাবে ঋণ-মুক্তি ঘটল সংস্থার, এ দিন রিলায়্যান্সের তরফে তা সবিস্তারে জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, ফেসবুক-সহ ৬টি নামজাদা বিদেশি সংস্থার কাছে শেয়ার বেচে রিলায়্যান্স পেয়েছে ১.১৬ লক্ষ কোটি টাকা (বা, ১৫.২ বিলিয়ান ডলার)। আর রিলায়্যান্সের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম জিয়োর সুবাদে এসেছে আরও ৫৩ হাজার ১২০ কোটি টাকা। জিয়ো ওই পরিমাণ অর্থ পেয়েছে তার বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের কাছে শেয়ার বেচে এবং ‘বিপি পিএলসি’ নামে একটি সংস্থার কাছে শেয়ার বেচে।

Advertisement

মুকেশ গত অগস্টেই রিলায়্যান্সের শেয়ারহোল্ডারদের অনুরোধ জানিয়েছিলেন, ১৮ মাসের মধ্যে তাঁর সংস্থাকে ঋণ-মুক্ত করতে তাঁরা যেন সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। কিন্তু ৮ মাসের মধ্যেই সেই লক্ষ্য-পূরণ হয়েছে মুকেশের রিলায়্যান্সের।

আরও পড়ুন- দ্বিতীয় দিনের বৈঠকও নিষ্ফল, লাদাখে জোর বাড়াচ্ছে চিন

Advertisement

আরও পড়ুন- সামরিক, কূটনৈতিক এবং বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে চিনকে পিছু হটানোর চেষ্টায় ভারত​

রিলায়্যান্সকে পুরোপুরি ঋণ-মুক্ত করার জন্য বছরের গোড়ার দিকে অবশ্য অন্য পরিকল্পনা ছিল মুকেশের। চেয়েছিলেন, তাঁর তেলের ব্যবসার ১৫০০ কোটি ডলার মূল্যের শেয়ার সৌদি আরবের তেল সংস্থাকে বেচে দিতে।

কিন্তু করোনা সংক্রমণ ও তা ঠেকাতে লকডাউন শুরু হওয়ায় তাঁর পরিকল্পনা বদলে ফেলেন মুকেশ। বাজি ধরেন রিলায়্যান্সের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম জিয়োর উপর। আর তাতেই কেল্লা ফতে! জিয়োর শেয়ার কিনতে হুড়োহুড়ি পড়ে নামজাদা বিদেশি সংস্থাগুলির মধ্যে। এগিয়ে আসে ফেসবুকের মতো সংস্থাও।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement