—প্রতীকী চিত্র।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে রান্নার গ্যাসের (এলপিজি) জোগান বাধা পাওয়ায় দেশে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার বিক্রিতে কড়াকড়ি করেছিল কেন্দ্র। ফলে জ্বালানির অভাবে বেশ কিছু রেস্তরাঁ বিপাকে পড়ে। একাংশের দাবি, সেই পরিস্থিতি কাটছে। খাবারের পদে কাটছাঁট করে, তাতে বদল এনে এবং বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করে কেউ কেউ ছন্দে ফিরছে। একাংশ স্বস্তিতে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার বণ্টন শুরু হওয়ায়। সূত্রের খবর, দেশে এই সপ্তাহ থেকে পুরোদমে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার দেওয়া হবে বলে আশা। রবিবার কেন্দ্র ফের আশ্বাস দিয়ে বলেছে, গৃহস্থের রান্নার গ্যাসেরও অভাব নেই। দৈনিক আশঙ্কার বুকিং কিছুটা কমেছে। অনলাইনে গ্যাস বুকিং বেড়েছে।
কলকাতায় অউধ ১৫৯০ এবং চাউম্যানের ডিরেক্টর দেবাদিত্য চৌধুরী বলেন, “এলপিজি-পরিস্থিতি রবিবার অনেকটাই ইতিবাচক। তবে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়নি। আমাদের বিকল্প পরিকল্পনা থাকায় মেনু বন্ধ করিনি। ক্রেতাদেরও অসুবিধা হয়নি।”
তবে জ্বালানির অভাবে বহু ছোট সংস্থার টিকে থাকা কঠিন হয়েছে, দাবি অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ান অন্ত্রেপ্রেনর্সের। যদিও আমদানি-রফতানিকারী কিছু ছোট-মাঝারি সংস্থা আশাবাদী। বলছে, উৎপাদনে ধাক্কা লেগেছে বটে। তবে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার বণ্টন চালু হওয়ায় শীঘ্রই ঘুরে দাঁড়ানো যাবে। ক্ষুদ্র শিল্পের সংগঠন ফ্যাকসির সভাপতি এইচ কে গুহ বলেন, “কিছু প্রভাব পড়েছে। তবে খাদ্য ছাড়া আর কোনও ব্যবসায় অন্তত পশ্চিমবঙ্গে বিরাট ধাক্কা লাগেনি যে মানুষ কাজ হারাবেন।” নিপা এক্সপোর্টস হাউসের ডিরেক্টর রাকেশ শাহেরও মতে, ‘‘গ্যাস সরবরাহ কমলেও রফতানির জন্য উৎপাদন বন্ধের মতো অবস্থা তৈরি হয়নি। আশা পরিস্থিতি দ্রুত ভাল হবে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে