—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
আসন্ন বাজেটে চোখ রেখে কেন্দ্রের কাছে একগুচ্ছ দাবি-দাওয়া পেশ করল ক্ষুদ্র-ছোট-মাঝারি শিল্প। তাদের সংগঠন ফসমি থেকে বণিকসভা পিএইচডি চেম্বার, সকলেরই বার্তা, বর্তমান অস্থির আবহে তাদের জন্য পুঁজির ব্যবস্থা করুক সরকার। বিশেষ তহবিল তৈরি হোক। আর্থিক সহায়তা হিসেবে ঋণের সুদে দেওয়া হোক ছাড়। প্রযুক্তিগত সহায়তার সঙ্গে নিয়মের বেড়াজাল থেকে মুক্তিও রয়েছে চাহিদার তালিকায়।
পিএইচডি বণিকসভার দাবি, ছোট-মাঝারি সংস্থাগুলিকে আরও সহজে ঋণ প্রদান জরুরি। কাজেই সেই ব্যবস্থার পাশাপাশি ঋণের সুদে ২% পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়া জরুরি। এতে তারা প্রয়োজনীয় পুঁজি পাবে সহজে। পাল্লা দিতে পারবে বিশ্ব বাজারের প্রতিযোগিতায়। সুদের হারে ভর্তুকি চেয়েছে ফসমি-ও।
ফসমির সভাপতি বিশ্বনাথ ভট্টাচার্য যে দাবিপত্র জমা দিয়েছেন, তাতে আপৎকালীন ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তার জন্য একটি আলাদা তহবিল তৈরির পরামর্শও আছে। বলা হয়েছে ছোট-মাঝারি সংস্থাগুলির জন্য নিয়মের বেড়াজাল সহজ করার কথা। আবার পিএইচডি চেম্বারের দাবিগুলির মধ্যে আছে— প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনার প্রসার, এই ক্ষেত্রে ন্যূনতম ঋণের অঙ্ক ৫০ হাজারের পরিবর্তে ১ লক্ষ টাকা করা। ফসমির দাবি, গ্রামীণ এলাকার ছোট সংস্থাগুলির জন্য ছোট অঙ্কের ঋণ, সহজে তা পাওয়ার ব্যবস্থা, তাদের জন্য সরকারি পরিকাঠামো আরও জোরদার করা।
বেসরকারি সংস্থা ওয়ান্ডারশেফের সিইও রবি সাক্সেনার কথায়, বড় সংস্থাগুলি যাতে ৪৫ দিনের মধ্যে ছোট সংস্থাকে বকেয়া মিটিয়ে দেয় তা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হোক বাজেটে। এ ছাড়াও, করের ক্ষেত্রে এই ধরনের সংস্থাগুলিকে আলাদা করে সুবিধা দেওয়ার আর্জিও জানিয়েছেন তিনি।
বিশ্বনাথের দাবি, এই ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রের তরফ থেকে সে রকম সহায়তার দিশা নেই, ফলে সংস্থাগুলি সমস্যায় পড়ছে। বিশেষত বিদেশে ব্যবসা করা সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেন্দ্র তাকে আলাদা গুরুত্ব দিয়ে দেখুক।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে