বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ ইতিমধ্যেই ঘুম কেড়েছে ভারতীয় অর্থনীতির। ক্ষয়-ক্ষতি ঠিক কতটা হবে, তাই নিয়ে নিরন্তর চলছে হিসেব কষার কাজ। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার এক দিকে রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের সুদ নির্ধারণের ভারপ্রাপ্ত ঋণনীতি কমিটির বহিরাগত সদস্য নাগেশ কুমার জানালেন, অর্থনীতির একেবারে দোরগোড়ায় এসে দাঁড়িয়েছে খান তিনেক চ্যালেঞ্জ। তা ভোগাতে পারে। তবে দীর্ঘ মেয়াদে আর্থিক বৃদ্ধির গতি রোধ হওয়া আশঙ্কা সম্ভবত নেই। অন্য দিকে, কোটাক ইনস্টিটিউশনাল একুইটিস-এর এক সমীক্ষা রিপোর্ট বলেছে, যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহের বেশি চললে ঝুঁকির মুখে পড়বে এ দেশের কর্পোরেট সংস্থাগুলি। কারণ, তাদের আয় কমতে পারে।
নাগেশের মতে, পশ্চিম এশিয়ায় বসবাসকারী কিংবা কাজের সূত্রে যাওয়া ভারতীয়দের নিরাপত্তা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা ছাড়াও এই মুহূর্তে ভারতের সামনে যে তিনটি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে ইরানের সংঘাত, সেগুলি হল— অশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি, সঙ্কটে পড়া রফতানি এবং বিদেশ থেকে দেশে টাকা পাঠানোর সমস্যা। এগুলি আর্থিক বৃদ্ধির রাস্তাতেও মস্ত বড় সমস্যা, তবে স্বল্প মেয়াদে। আগামী দিনে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হারকে উপরে ঠেলে তুলতে হলে আর্থিক নীতি এবং ঋণনীতিকে তাল মিলিয়ে কাজ করতে হবে বলেও বার্তা তাঁর।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে