সম্পাদক সমীপেষু

পর্যটন নিয়ে মমতা দেবীর সরকার সচেষ্ট হলেও কার্যক্ষেত্রে সদিচ্ছায় অনেক ফাঁক রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হল হাওড়া স্টেশনের সৌন্দর্যায়ন।

Advertisement
শেষ আপডেট: ২১ ডিসেম্বর ২০১৬ ০০:০০
Share:

হাওড়া স্টেশনের হাল

Advertisement

পর্যটন নিয়ে মমতা দেবীর সরকার সচেষ্ট হলেও কার্যক্ষেত্রে সদিচ্ছায় অনেক ফাঁক রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হল হাওড়া স্টেশনের সৌন্দর্যায়ন। যদিও এটি রেলের এক্তিয়ার, তবুও আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি রাজ্য সরকারের। স্টেশনে ঢোকার মুখে চিরাচরিত হকার, ঝুপড়ি দোকান আজও সরানো গেল না। সাবওয়ের অর্ধেক হকারের দখলে। যাঁরা ট্রেনে হাওড়ায় নামবেন, তাঁরা প্রথমেই হোঁচট খাবেন হাওড়া স্টেশন চত্বরের এই নরক দশা দেখে এবং আমাদের রুচিবোধ বুঝতে পেরে। ভারতীয় রেল ও পশ্চিমবঙ্গ সরকার মিলে কিছু করা যায় না?

সুদর্শন নন্দী। রাঙামাটি, মেদিনীপুর

Advertisement

দখল

চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ-এ ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের বিপরীতে যোগাযোগ ভবনের প্রধান প্রবেশদ্বারের সন্নিহিত ফুটপাত পুরোপুরি ভবঘুরেদের দখলে চলে গেছে। এঁরা ফুটপাত জুড়ে তাঁবু টাঙিয়ে বাস করছেন, উনুন জ্বেলে রান্না করছেন এবং রেলিং-এ কাপড় শুকোচ্ছেন। সাধারণ পথচারী, যাঁদের ফুটপাত ব্যবহার করার কথা, তাঁরা বাধ্য হচ্ছেন ফুটপাত ছেড়ে বিপদের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে। চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ-এর দুই অংশে (অর্থাৎ বিপিনবিহারী গাঙ্গুলি স্ট্রিট-এর সংযোগস্থল থেকে চাঁদনি চক মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত) যানবাহন খুব দ্রুতগতিতে চলাচল করে। যে কোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটা অস্বাভাবিক নয়। দ্রুতগতির যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পথচারীকে ধাক্কা মারতে পারে। শহরের ব্যস্ততম একটি ফুটপাত, যেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দফতর অবস্থিত, দখল হয়ে গেল, অথচ পুলিশ, প্রশাসন, পুরসভা সকলেই নীরব দর্শক। নাগরিকদের প্রতি কি এদের কোনও দায়িত্ব নেই?

সপ্তর্ষি ঘোষ। কলকাতা-৯

আরও দখল

টি-বোর্ড থেকে চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ পর্যন্ত যে ফুটপাত রাস্তার দু’ধারে আছে, তাকে খুঁজে নিতে হবে। ফুটপাত জুড়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যের পসরা। দোকানিদের জিনিসপত্র (আসবাব প্রভৃতি) ফুটপাতেই সাজিয়ে রাখা হয়। তা ছাড়া ফল বিক্রেতা, সবজি বিক্রেতা প্রভৃতি নানা ধরনের হকার এই ফুটপাতকেই তাঁদের বেসাতির মরূদ্যান করে তুলেছেন। ফলে, বিপদে পড়তে হচ্ছে পথচারীদের। এই ভাবে ফুটপাত হারিয়ে যাওয়ায় রাস্তার উপর দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। যে কোনও দিন বড় বিপদ ঘটে যেতে পারে। ফুটপাত চলাচলের যোগ্য হয়ে উঠুক।

হীরালাল শীল। কলকাতা-১২

লাইন লাগাও

অনুপম রায়ের রচনাটি (‘লাইন লাগাও’, ৪-১২) পড়ে একটা ঘটনা মনে পড়ে গেল। বেশ কয়েক বছর আগে ইলেকট্রিক অফিসে টাকা জমা দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছি। বিশাল লম্বা লাইন। এগোচ্ছে অত্যন্ত মন্থর গতিতে। আমার ঠিক সামনেই এক জন বয়স্ক ভদ্রলোক দাঁড়িয়েছিলেন। এক সময় তিনি বলে উঠলেন, ‘ইস্কুলে পড়া না-পারলে মাস্টারমশাইরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রাখতেন। তার সুফল এখন পাচ্ছি। কোনও অসুবিধা হচ্ছে না’।

শান্তভানু সেন। শ্রীপল্লি, শান্তিনিকেতন

বিভ্রান্তি

এসএসসি-র উত্তরপত্র পাঠানো নিয়ে বিতর্ক (আ বা প ৪-১২) সংবাদে প্রকাশিত হয়েছে ‘পরীক্ষার উত্তরপত্র বোঝাই খামে কোনও সিল করা যাবে না।’ এই কথাগুলি পাঠক তথা জনগণের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা সৃষ্টি করতে পারে। আঠার বদলে সেলো টেপ ব্যবহার করে উত্তরপত্র সুরক্ষিত রাখার কথা বলা হয়েছিল। গালা সিল করতে নিষেধ করতে বলা হয়নি।

শি প্র রায়। সহ সচিব, পশ্চিমবঙ্গ আঞ্চলিক বিদ্যালয় কৃত্যক আয়োগ, উত্তরাঞ্চল, মালদা

ধনধান্যে নয়, ধনধান্য

পিজি হাসপাতাল থেকে সাহিত্য আকাদেমি হয়ে জাতীয় গ্রন্থাগারে যেতে কালীঘাটের আদিগঙ্গা থেকে বহমান আবর্জনাময় দুর্গন্ধযুক্ত একটি ব্রিজ আছে।

সুদৃশ্য সড়কের উপর চোখে পড়বে বাংলা ফলক ‘ধনধান্যে সেতু’। সম্ভবত ঐতিহাসিক যুগান্তকারী ধনধান্যে পুষ্পে ভরা সংগীতকে মর্যাদা দিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ‘ধনধান্য সেতু’ নামে চিহ্নিত হোক ব্রিজটি।

দিলীপ মুখোপাধ্যায়। কলকাতা-১০

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement