ছবি: এআই।
ইন্টারনেটের দুনিয়ায় তথ্য যতই সহজলভ্য হয়ে উঠছে, ততই তা অপরাধের প্রবণতাও বাড়িয়ে তুলছে। সামান্য ফোন কলের সাহায্যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে নিমিষে উধাও হয়ে যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। কখনও আবার ডিজিটাল গ্রেফতার করে প্রতারণা করছে অপরাধীরা। এই সব সমস্যার সমাধান করতে পারেন সাইবার অপরাধ বিশেষজ্ঞেরা। ক্রিপ্টোগ্রাফার নিজেও এমন এক বিশেষজ্ঞ, যার হাতের মুঠোয় রয়েছে অপরাধ দমনের হাতিয়ার।
বিষয়টি কী?
ক্রিপ্টোগ্রাফি অর্থাৎ যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্য সুরক্ষিত রাখার বিজ্ঞানে দক্ষ হতে হয়। তাঁরা অঙ্কের জটিল সূত্রের বেড়াজালে সুরক্ষিত রাখেন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। তবে, এমন বিশেষজ্ঞ হতে চাইল জানতে হবে ব্যাঙ্কিং সিস্টেম, ডিজিটাল পেমেন্ট প্রসেসিং, ব্লকচেন সংক্রান্ত বিষয়ও।
কারা পড়তে পারবেন?
ছবি: এআই।
কী ভাবে চাকরি পাবেন?
ক্রিপ্টোগ্রাফি নিয়ে পড়াশোনার পর সরকারি সংস্থা থেকে ক্রিপ্টোগ্রাফি প্রফেশনাল, এথিক্যাল হ্যাকার, ইনফরমেশন সিকিউরিটি প্রফেশনাল, ব্লকচেন সিকিউরিটি-র কাজে আলাদা করে অনুমোদন অর্জন করতে হবে। বিভিন্ন বিভাগ থেকে শংসাপত্র দেওয়া হয়ে থাকে। সেই অনুমোদন কেন্দ্রীয় তথ্য প্রযুক্তি ও বৈদ্যুতিন মন্ত্রক, অর্থমন্ত্রকে চাকরির পথ প্রশস্ত করে। এ ছাড়াও বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থায় ক্রিপ্টোগ্রাফি ইঞ্জিনিয়ার, সিকিউরিটি আর্কিটেক্ট, সাইবার সিকিউরিটি অ্যানালিস্ট পদে ক্রিপ্টোগ্রাফি বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ করা হয়ে থাকে।