Sukanta Majumdar alleges State for Education funding

শিক্ষাখাতে বন্ধ কেন্দ্রীয় বরাদ্দ! রাজ্যের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুললেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

মঙ্গলবার নিউটাউনে খড়গপুর আইআইটি রিসার্চ পার্কে প্রতিষ্ঠানের ৭৫ বছরের বর্ষপূর্তি উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানের সুকান্ত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে প্রশ্ন ওঠে শিক্ষা ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ নিয়ে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:১১
Share:

কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। নিজস্ব চিত্র।

সমগ্র শিক্ষা মিশনের টাকা পেতে হলে যে সব বিষয় মেনে চলা উচিত, রাজ্য সরকার তা করছে না। সে কারণেই কেন্দ্রের তরফে বরাদ্দ অর্থ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

Advertisement

মঙ্গলবার নিউটাউনে খড়গপুর আইআইটি রিসার্চ পার্কে প্রতিষ্ঠানের ৭৫ বছরের বর্ষপূর্তি উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানের সুকান্ত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে প্রশ্ন ওঠে শিক্ষা ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ নিয়ে। সেখানেই তিনি বলেন, “সর্ব শিক্ষার বরাদ্দ বন্ধ রয়েছে কারণ, রাজ্য সরকার পিএমশ্রী স্কুল মানছে না। এটি একটি প্যাকেজ। সুবিধা পেতে হলে পুরোটাই গ্রহণ করতে হবে।”

আইআইটি খড়্গপুরের অধিকর্তার সঙ্গে সুকান্ত মজুমদার। নিজস্ব চিত্র।

তাঁর দাবি, পিএমশ্রী নিয়ে রাজ্য সরকারের কোথায় আপত্তি, তা তাঁদের বোধগম্য হচ্ছে না। তিনি বলেন, “তবে কি ‘পিএম’ শব্দ বন্ধেই আপত্তি! কিন্তু তা তো হওয়ার কথা নয়। আজ প্রধানমন্ত্রী বা পিএম নরেন্দ্র মোদি। কাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হতে পারেন, তার পরে রাহুল গান্ধীও হতে পারেন। কখনও আমিও হতে পারি।”

Advertisement

বহু রাজ্য পিএমশ্রী প্রকল্প মেনে নিলেও পশ্চিমবঙ্গ কেন তা মেনে নিচ্ছে না, তা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন সুকান্ত। যদিও একই সঙ্গে তিনি জানান, এ বিষয়ে আলোচনাও চলছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদী।

একই ভাবে উচ্চ শিক্ষায় ‘পিএম ঊষা’ (সাবেক রুসা) প্রকল্প নিয়েও রাজ্যকে কটাক্ষ করেন। তাঁর দাবি, রাজ্যের এই প্রকল্পে রাজ্য আবেদন করলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি কেন্দ্রীয় অর্থ সাহায্য পেত। কিন্তু রুসা ১.০ মানলেও রাজ্যের তরফে পিএম ঊষা ফান্ডে আবেদন করা হচ্ছে না। তার ফলেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলি কেন্দ্রীয় সাহায্য পাচ্ছে না বলে জানান শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement