JU Hijab Controversy

হিজাব বিতর্কে তদন্ত কমিটির প্রথম বৈঠক, আপাতত যাদবপুর ক্যাম্পাসে না আসার পরামর্শ শাশ্বতীকে

পাঁচ সদস্যের কমিটি এ দিন একটি সুপারিশপত্রও দিয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে। সেখানে বলা হয়েছে, তদন্ত যতদিন চলবে ততদিন বিভাগীয় প্রধান শাশ্বতী হালদার বিশ্ববিদ্যালয়ে না এলেই ভাল হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৪৮
Share:

নিজস্ব চিত্র।

হিজাব বিতর্কে কাজ শুরু করল তথ্যানুসন্ধান কমিটি। সোমবার, কমিটির সদস্যেরা কথা বলেন ইংরেজি স্নাতক তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রী ও বিভাগীয় প্রধানের সঙ্গে। ওই ছাত্রীকেও ঘটনার দিন পরীক্ষা চলাকালীন আলাদা করে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

Advertisement

সূত্রের খবর, সৈয়দ তানভীর নাসরিনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের কমিটি এ দিন একটি সুপারিশপত্রও দিয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে। সেখানে বলা হয়েছে, তদন্ত যতদিন চলবে ততদিন বিভাগীয় প্রধান শাশ্বতী হালদার বিশ্ববিদ্যালয়ে না এলেই ভাল হয়।

এ প্রসঙ্গে উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার তিনি সুপারিশপত্র দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবেন।

Advertisement

গত ২২ ডিসেম্বর ইংরেজি তৃতীয় বর্ষের এক ইসলাম ধর্মাবলম্বী ছাত্রীকে পরীক্ষা চলাকালীন পাশের ঘরে ডেকে নিয়ে গিয়ে কথা বলেন বিভাগীয় প্রধান। কর্তৃপক্ষের তরফে জানা গিয়েছে, ওই পরীক্ষায় বার বার নকলের অভিযোগ উঠছিল বলেই কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বিভাগীয় প্রধান এবং এক মহিলা গবেষকের উপস্থিতিতে ওই ছাত্রী নিজেই মাথার কাপড় খুলে দেখান তাঁর কাছে কোনও বৈদ্যুতিন যন্ত্র নেই। তার পর বিভাগীয় প্রধান ছাত্রীর কাছে দুঃখপ্রকাশ করে পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেন। অতিরিক্ত ১০ মিনিট সময়ও দেওয়া হয় তাঁকে।

২৪ ডিসেম্বর সমাবর্তন অনুষ্ঠানের পর কিছু পড়ুয়া বিক্ষোভ দেখান এই ঘটনার প্রেক্ষিতে। অভিযোগ দায়ের হয় রাজ্য সংখ্যালঘু কমিশনে। ইংরেজির বিভাগীয় প্রধানকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি উঠেছে বার বার।

অভিযোগের খবর জানাজানি হওয়ামাত্রই তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গড়েছিলেন উপাচার্য। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপক সৈয়দ তানভীর নাসরিনের নেতৃত্বে ওই কমিটিতে ছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও এসসি ও এসটি সেল-এর লিয়াজঁ অফিসার সুবর্ণকুমার দাস এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যনির্বাহী পরিষদের আচার্য মনোনীত সদস্য কাজি মাসুম আখতার। পরে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দেবব্রত দাস ও যাদবপুরের অধ্যাপক কামরান মণ্ডলকেও এই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রেজ়েন্টিং অফিসার হিসাবে দেওয়া হয়েছে ডেপুটি রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত) উজ্জ্বলকুমার মণ্ডলকে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement