গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
চিকিৎসক হওয়ার যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারি, তোলপাড় গোটা দেশ। নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার ঘেরাটোপ পেরিয়ে প্রশ্নপত্র পরীক্ষার্থীদের হাতে আগেই পৌঁছে গিয়েছিল। কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল? ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন অ্যাক্ট, ২০১৯ অনুযায়ী, ওই পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছিল কি না— তা জানতে চায় লোকসভার স্ট্যান্ডিং কমিটি।
এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ জুন ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) এবং ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন-এর (এনএমসি) উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সমন করা হয়েছে। তাঁদের মতামত শুনবেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব এবং উচ্চশিক্ষা সচিব। পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার জন্য কী কী পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কী ব্যবস্থা করা হয়েছে— সব বিষয়ে উত্তর দিতে হবে আধিকারিকদের।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, পরীক্ষার আয়োজনের জন্য এনটিএ কী ভাবে সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করেছে এনএমসি-র সঙ্গে, তা-ও খতিয়ে দেখবে লোকসভার স্ট্যান্ডিং কমিটি। এই প্রবেশিকা উত্তীর্ণ হতে পারলে চিকিৎসাবিদ্যায় পড়াশোনার সুযোগ মেলে। তাই বার বার এই পরীক্ষা নিয়ে একাধিক বিভ্রান্তির জেরে কার্যত দুশ্চিন্তা বাড়ছে পড়ুয়াদের মধ্যে।
ইতিমধ্যেই ঘোষণা হয়েছে, প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির জেরে বাতিল হওয়া পরীক্ষা নতুন করে নেওয়া হবে। ২১ জুনের পরীক্ষার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজা হয়েছে। প্রশ্নপত্র সুরক্ষিত ভাবে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দেবে বায়ুসেনা। পাশাপাশি, যাঁরা প্রশ্নপত্র তৈরি করেছেন, তাঁদের পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত নজরবন্দি রাখা হবে।