নিজস্ব চিত্র।
নির্বিঘ্নে শেষ হল স্কুল সার্ভিস কমিশনের গ্রুপ ডি-র লিখিত পরীক্ষা। প্রশ্ন নিয়ে অভিযোগ নেই বেশির ভাগ চাকরিপ্রার্থীর। তবে গ্রুপ সি-র মতো গ্রুপ ডি-র পরীক্ষাতেও উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও ঝাড়খণ্ড থেকে পরীক্ষা দিতে এলেন পরীক্ষার্থীরা।
বিধানসভা নির্বাচনের আগে রবিবার রাজ্যে গ্রুপ ডি পদে শিক্ষাকর্মী নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করা হল। ভিন রাজ্য থেকে পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন ৪ হাজারেরও বেশি পরীক্ষার্থী। এসএসসি সূত্রের খবর, ভিন রাজ্যের পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা ছিল ২৭৫১।
এর মধ্যে থেকে বেশির ভাগ এসেছিলেন ঝাড়খণ্ড থেকে। সেখান থেকে ১০০০ জনের বেশি পরীক্ষার্থী আসেন। এ ছাড়া, বিহার থেকে ৮৫০ জন এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে ৯০০ জন পরীক্ষার্থী এসেছিলেন। এমনকি উত্তরাখণ্ড ও ছত্তীসগঢ় থেকেও যথাক্রমে ১৫ জন ও ১৮ জন পরীক্ষা দিয়েছেন।
মোট ৮ লক্ষ ১৭ হাজার ৩৪ জন পরীক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন। তার মধ্যে থেকে ৪৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী ১৭০৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছেন ৫৪৮৮টি শূন্য পদের জন্য। শিক্ষামন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘‘এই পরীক্ষায় ২৭৫১ জন পরীক্ষার্থী নথিভুক্ত হয়েছেন অন্যান্য রাজ্যের, যার মধ্যে পার্শ্ববর্তী রাজ্য উত্তর প্রদেশ এবং বিহারের পরীক্ষার্থী সংখ্যা উল্লেখযোগ্য, যা আরেকবার প্রমাণ করে বাংলা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর অভিভাবকত্বে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমস্ত মানুষের ভরসার স্থল, কারণ 'সবার উপর মানুষ সত্য, তাহার উপর নাই' ।’’
পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থীরা প্রশ্ন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। বহু পরীক্ষার্থী রয়েছেন যাঁরা গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি উভয় পরীক্ষাই দিয়েছিলেন। তাঁদের অনেকের মতে গ্রুপ সি পরীক্ষা ভাল হয়েছে, গ্রুপ ডি পরীক্ষার তুলনায়। মহারাজা মণীন্দ্রচন্দ্র কলেজে পরীক্ষার কেন্দ্র পড়েছিল ষষ্ঠ সেমেস্টারের ছাএ রিমিল সোরেনের। তিনি বলেন, "আমি কলকাতায় উচ্চশিক্ষার জন্য এসেছি। আমার বাড়ি মালদায়। আমি গ্রুপ সি পরীক্ষাও দিয়েছি। এ বার গ্রুপ ডি দিলাম। আমার মনে হয়েছে গ্রুপ ডি-র তুলনায় গ্রুপ সি-র প্রশ্ন অনেক সহজ হয়েছে। ভাল স্টাডি না করলে সহজে উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। আমি আশাবাদী চাকরিহারাদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অতিরিক্ত নম্বর দিলেও আমি ডাক পাব।"