WBCHSE online Class

উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নিজস্ব স্টুডিয়োয় রেকর্ডিং করবেন শিক্ষকেরা! যে কোনও প্রান্তের পড়ুয়া পাবে পাঠগ্রহণের সুযোগ

সমাজমাধ্যমে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নিজস্ব একটি চ্যানেলটির দর্শক এখনও তত বেশি নয়। তবে এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে প্রতিটি বিষয়ের প্রতিটি অধ্যায় পৃথক পৃথক শিক্ষক পড়াবেন, ঠিক যে ভাবে শ্রেণি কক্ষে পড়ানো হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ মার্চ ২০২৬ ১৩:৫৩
Share:

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

স্কুলের ক্লাসের পাশাপাশি এ বার উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নিজস্ব স্টুডিয়োয় গিয়ে পড়াবেন বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকেরা। রেকর্ডিং করা সেই পাঠ রাজ্য যে কোনও জেলার পড়ুয়ারা পাবে নিজের বাড়িতে বসেই। সমাজমাধ্যমকে ব্যবহার করে এ ভাবেই পড়ুয়াদের ‘স্মার্ট’ করতে চাইছেন কর্তৃপক্ষ। শিক্ষা মহলের দাবি, এতে আখেরে পঠনপাঠনের মানোন্নয় হবে।

Advertisement

সমাজমাধ্যমে নিজস্ব চ্যানেলে এক একটি বিষয়ের এক একটি অধ্যায় পড়াবেন এক একজন শিক্ষক, এমন স্থির হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে পাওয়া খবর অনুযায়ী, স্কুলের নিয়মিত পঠনপাঠনের পাশাপাশি বাড়িতে বসে এই ধরনের ক্লাস করলে একাদশ-দ্বাদশের পড়ুয়াদের আগ্রহ বাড়বে। তারা নিজেদের সময়মতো পাঠ্যবিষয় বুঝে নেওয়ার সুযোগ পাবে।

জানা গিয়েছে, সমাজমাধ্যমে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নিজস্ব একটি চ্যানেলটির দর্শক এখনও তত বেশি নয়। তবে এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে প্রতিটি বিষয়ের প্রতিটি অধ্যায় পৃথক পৃথক শিক্ষক পড়াবেন, ঠিক যে ভাবে শ্রেণি কক্ষে পড়ানো হয়। সংসদের অফিসেই একটি ঘরে রেকর্ডিংয়ের সুবিধা রয়েছে। থাকবে স্মার্ট বোর্ড। শুধু শিক্ষকেরা যখন পড়াবেন তখন, তাঁর সামনে পড়ুয়াদের বদলে থাকবে ক্যামেরা। বিভিন্ন জেলা থেকে শিক্ষকেরা সেখানে এসে রেকর্ডিং করে যাবেন।

Advertisement

সংসদের নিজস্ব অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এই চ্যানেলে লিঙ্ক দেওয়া থাকবে, যাতে পড়ুয়ারা খুব সহজেই তা খুঁজে পায়।

নবনিযুক্ত সংসদ সভাপতি পার্থ কর্মকার বলেন, “পড়ুয়ারা ক্লাস রুমে একজন শিক্ষকের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার সুফল পায়। কিন্তু অনলাইনে এই ব্যবস্থা চালু হলে, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষকের ক্লাস করা যাবে। যে কোনও জেলার পড়ুয়া উপকৃত হবে।” তবে এই কাজ সম্পূর্ণ করা মুখের কথা নয়। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে অনেকগুলি বিষয়, তার প্রচুর অধ্যায়। দ্রুত কাজ শুরু করতে চান সভাপতি।

Advertisement

আর এ কাজে সহায়ক হতে পারে তাঁর পূর্ব অভিজ্ঞতা। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, উচ্চশিক্ষা , স্কুল সার্ভিস কমিশন ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে পার্থের। উনি নিজেও একটি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ছিলেন। কল্যাণীর পান্নালাল ইনস্টিটিউশনের প্রধানশিক্ষক রমেনচন্দ্র ভাওয়াল বলেন, “আগামী দিনে এই উদ্যোগ ফলপ্রসূ হবে বলেই মনে করি। পড়ুয়ারা বিভিন্ন বিষয়ের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন শিক্ষকদের ক্লাস করার সুযোগ পাবে। স্কুলের ক্লাসেও আমরা এই বিষয়টি উল্লেখ করে দেব।” যাদবপুর বিদ্যাপীঠের প্রধানশিক্ষক পার্থপ্রতিম বৈদ্য বলেন, “স্কুলের পাঠ শেষ করে বাড়ি ফিরে যদি নিজের মতো করে সেই বিষয়ই পড়ুয়া একটু ঝালিয়ে নিতে পারে, তা হলে তাদের সুবিধাই হবে। আমার মনে হয় এই উদ্যোগ সাধুবাদ যোগ্য।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement