প্রতীকী চিত্র।
শেষ হল চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক। সেমেস্টার পদ্ধতিতে এই প্রথম আয়োজন করা হয়েছিল পরীক্ষার। লিখিত পরীক্ষা শেষে এ দিন সাংবাদিক বৈঠক করলেন সংসদ সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি শুরু উচ্চ মাধ্যমিক। ১৫ দিনের পরীক্ষা শেষ হয়েছে ২৭ ফেব্রুয়ারি। চতুর্থ সেমেস্টারের পাশাপাশি নেওয়া হয়েছে তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি এবং পুরনো পাঠ্যক্রমের পরীক্ষাও। তবে এখনও বাকি প্র্যাক্টিক্যাল।
এ দিন সাংবাদিক বৈঠকে জানা গিয়েছে, চতুর্থ সেমেস্টারের জন্য নাম নথিভুক্ত করেছিল মোট ৭, ১০,৯২০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৩, ১৫, ৭৮৪ এবং ছাত্রী ৩,৯৫, ১৩৬। পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল ১৫,৭৩৯ জন। এর মধ্যে বিশেষ ভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থী ছিল ৬৫১ জন। হাসপাতাল বা অন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে পরীক্ষা দিয়েছে ৮৭ জন। তবে জানা গিয়েছে, এ বার সংশোধনাগার থেকে কোনও পরীক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক দেয়নি।
দুর্ভাগ্যজনক দু’টি ঘটনার কথাও এ দিন আলাদা করে উল্লেখ করেন সংসদ সভাপতি। উল্লেখ করেন, পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুইজন শিক্ষিকার দুর্ঘটনার সম্মুখীন হওয়ার ঘটনা। তাঁদের মারুতি ভ্যানের সঙ্গে লরির সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত হন রূপা প্রামাণিক। আহত হন কঙ্কনা সাঁতরা নামের আর একজন শিক্ষিকা। অন্য একটি ঘটনায়, ভূগোল পরীক্ষার দিন বাঁকুড়া জেলায় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় জুয়েল শেখ নামে এক পরীক্ষার্থীর।
উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ জানিয়েছে, এ বারের পরীক্ষায় মোট ১২ জন পরীক্ষার্থী মোবাইল ফোন-সহ ধরা পড়েছে। তাদের সমস্ত পরীক্ষা বাতিল করেছে সংসদ। প্রশ্নপত্র নিয়ে পড়ুয়া এবং অভিভাবকদের অভিযোগ থাকলেও সংসদের দাবি, সামগ্রিক প্রশ্ন নেই তেমন কোনও অভিযোগ নেই। এমনকি অঙ্ক পরীক্ষায় কিছু প্রশ্ন সিলেবাস বহির্ভূত হওয়ায় উত্তর দিলেই পরীক্ষার্থীদের নম্বরও দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে, দ্রুততার সঙ্গে উত্তরপত্র দেখা-সহ পরীক্ষা পরবর্তী বাকি কাজ শেষ করার কথাও জানিয়েছেন সংসদ সভাপতি।