WBJEE Result 2026

প্রকাশিত রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স-এর ফল, প্রথম কলকাতার শাশ্বত, পাশের হার কত?

২৪ মে পরীক্ষা হয়েছিল, ফলপ্রকাশ হচ্ছে ১৮ জুন। অর্থাৎ, মাত্র ২৫ দিনের মাথায় ফলপ্রকাশ করতে চলেছে রাজ্য জয়েন্ট বোর্ড। বিকেল ৪টে থেকে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল ডাউনলোড করতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬ ১৩:৪১
Share:

রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগজ়ামিনেশনের ফলপ্রকাশ। — প্রতীকী চিত্র।

প্রকাশিত হল রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগ্জ়া‌মিনেশনের ফল। এক মাসেরও কম সময়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য জয়েন্ট এট্রান্স বোর্ডের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে ফল প্রকাশ করা হয়েছে। রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তাদের নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্য জয়েন্ট বোর্ডের কর্তৃপক্ষ। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসম এবং ত্রিপুরাতেও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষার আয়োজন করেছিল জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। মোট পাশের হার ৯৭.৭৪ শতাংশ, পশ্চিমবঙ্গে পাশের হার ৭৯.৪২ শতাংশ।

Advertisement

প্রথম স্থানাধিকার করেছেন কলকাতার শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যয়। দ্বিতীয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার সৌঋদ্ধ মণ্ডল। তৃতীয় উত্তর দিনাজপুরের উমঙ্গ ভুট। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ২৯ জুনের মধ্যে শুরু হতে চলেছে কাউন্সেলিং।

কী ভাবে দেখবেন ফল?

Advertisement

প্রথমে পরীক্ষার্থীদের https://wbjeeb.nic.in/ বা https://wbjeeb.in/ এই ওয়েবসাইটে যেতে হবে।

‘হোমপেজ’ থেকে ‘ডব্লুবিজেইই ২০২৬ র‍্যাঙ্ক কার্ড’ ডাউনলোডের লিঙ্কটি পাওয়া যাবে।

সেখানে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে লগ ইন করতে হবে।

তা হলেই ফলাফল দেখতে পাওয়া যাবে। পরবর্তী সুবিধার জন্য ফলাফলের একটি প্রিন্ট আউট করে রাখা ভাল।

২৪ মে পরীক্ষা হয়েছিল, ফলপ্রকাশ হচ্ছে ১৮ জুন। অর্থাৎ, মাত্র ২৫ দিনের মাথায় ফলপ্রকাশ করতে চলেছে রাজ্য জয়েন্ট বোর্ড। বিকেল ৪টে থেকে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল ডাউনলোড করতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। ২৬৭টি পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্যের ২৬৪টি কেন্দ্রে, ত্রিপুরার দু’টি কেন্দ্রে এবং অসমের একটি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।

এ বার মোট ১লক্ষ ২০ হাজার ৮৫৬জন পরীক্ষার জন্য নাম নথিভুক্ত করেছিলেন, কিন্তু পরীক্ষা দিয়েছিলেন ৯৪,৯০১ জন। এঁদের মধ্যে ৬৭,৩৭৮জন পুরুষ এবং ২৭,৫২১জন মহিলা পরীক্ষার্থী ছিলেন। তৃতীয় লিঙ্গের পরীক্ষার্থী ছিলেন ২জন। উত্তীর্ণ হয়েছেন, ৯২,৭৫৩জন। এঁদের মধ্যে রাজ্য থেকে পাশ করেছেন ৭৩,৬৬৫জন, রাজ্যের বাইরে থেকে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৯,০৮৮জন।

এ বার মেধাতালিকায়

প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রের জন্য পর্যাপ্ত বোর্ড অবজ়ারভার নিয়োগ করা হয়েছিল। যে কোনও ধরনের জালিয়াতি সনাক্ত করার জন্য অন্য গোপন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল।

পরীক্ষার ওএমআর শিট সাধারণ কাগজের মতো হলেও আসলে তার নীচে আর একটি হুবহু নকল বা ডুপ্লিকেট কপি জোড়া রাখা হয়েছিল (আগেকার দিনের কার্বন পেপারের মতো, তবে এতে আলাদা কোনও কালো কার্বন পেপার থাকবে না)। দু’টি পাতাই আলাদা করা ছিল। একটি পাতা পরীক্ষাকেন্দ্রে জমা দেওয়া হয়েছে এবং অন্য পাতাটি পরীক্ষার্থী বাড়ি নিয়ে যেতে পেরেছেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement