এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার পাঠ। ছবি: সংগৃহীত।
ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এরোস্পেস বিভাগে যাঁরা পড়াশোনা করেন, তাঁরা যাত্রীবাহী বিমান থেকে মহাকাশযান তৈরির কাজটি করতে পারেন। কী ভাবে এগোনো যায় সেই লক্ষ্যে? রইল তারই খুঁটিনাটি—
দ্বাদশে গণিত, পদার্থবিদ্যা আর রসায়নে ভাল ফল করতেই হবে। এটিই প্রথম ধাপ। সে জন্য প্রস্তুতি রাখতে হবে মাধ্যমিক থেকেই।
দ্বাদশের জয়েন্ট এন্ট্রান্স উত্তীর্ণ হলে সুযোগ মিলবে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পড়ার। সে ক্ষেত্রেও প্রবেশিকায় ভাল হতেই হবে। না হলে এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, স্পেস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, এভিওনিক্স অথবা এরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ভর্তি হওয়া যায় না।
কোথায় কোথায় পড়ানো হয়?
ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ স্পেস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।
আইআইটি খড়্গপুর।
আইআইটি বোম্বে।
আইআইটি মাদ্রাজ।
আইআইটি কানপুর।
ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স-এর স্পেস টেকনোলজি বা সমতুল বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর স্তরে পড়ানো হয়ে থাকে।
খরচ কেমন?
এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়া বেশ খরচসাপেক্ষ। যদিও সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে খরচের পরিমাণ কিছুটা কম হতে পারে।
বাৎসরিক ১ লক্ষ থেকে ২.৫ লক্ষ টাকা কোর্স ফি জমা দিতে হতে পারে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিতে তা ২-৫ লক্ষ টাকা হতে পারে।
তবে, ইসরো, ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও), ডিপার্টমেন্ট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ডিএসটি) মেধাবী পড়ুয়াদের জন্য স্কলারশিপের ব্যবস্থা করে থাকে।
কাজের সুযোগ:
বিমান, রকেট ও মহাকাশযান তৈরির প্রযুক্তিগত কাজ, স্যাটেলাইট ডিজ়াইন ও পরিচালনার কাজ, নতুন বিমান বা যন্ত্রের পরীক্ষা করা, মহাকাশ ও বিমান প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করার সুযোগ থাকে। ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজ়েশন, ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজ়েশন, হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড-এ চাকরির সুযোগ পাওয়া যেতে পারে।