কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ফাইল চিত্র।
দিদির গুন্ডাদের বলে যাচ্ছি, ২৯ তারিখে তারা যেন ঘরের বাইরে না বার হয়, পুরশুড়ায় হুঁশিয়ারি শাহের। মহিলাদের উদ্দেশে শাহের বার্তা, ‘‘৫ তারিখের পর, সন্ধ্যা ৭টা তো দূর, মাঝরাতেও যদি কোনও অল্পবয়সি মেয়ে বাড়ির বাইরে বার হয়, তা হলেও কোনও গুন্ডার হিম্মত হবে না তার দিকে চোখ তুলে তাকানোর।’’
যে লোকেরা বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছেন, তাঁদের সকলকে বলছি, আপনারা বাঁচবেন না। ৫ তারিখের পর জেলে ভরব। মহিলা মুখ্যমন্ত্রী এ রাজ্যে। কিন্তু এখানেই মহিলাদের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের বোন-মেয়েদের উপর অত্যাচার করছে।
৫ তারিখের পর আপনার এবং ভাইপোর সময় শেষ হবে। এখানে বিজেপির সরকার তৈরি হবে। এসআইআর ছাড়ুন। এক এক করে অনুপ্রবেশকারীকে বাইরে পাঠাব। দিদির গুন্ডাদের বলে যাচ্ছি, ২৯ তারিখে ঘরের বাইরে বেরোবে না। আরামবাগবাসীকে বিরক্ত করলে উল্টো ঝুলিয়ে সোজা করব। প্রথম দফায় দিদির কোনও গুন্ডার হিম্মত হয়নি, ভোটদাতাদের আঙুল তুলে দেখায়। যে ভাবে ৮০ শতাংশ ভোট হয়েছে, এটাই স্পষ্ট দিদির যাওয়ার সময় হয়েছে।
মমতা দিদির সরকারকে ছুড়ে ফেলে দিতে হবে। অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে হবে। পুরশুড়ার মাটি বাংলার আলুর রাজধানী। কিন্তু দিদির জেদের কারণে আলুর দাম পাচ্ছেন না কৃষকেরা। ২২ টাকার আলু ২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দিদি ঝাড়খণ্ড, বিহার এবং ওড়িশায় আলু পাঠাতে দেন না। এই কারণে আলুর দাম কমে যাচ্ছে। আজ বলে যাচ্ছি ৫ তারিখে বিজেপির সরকার বানান, আলু বিহার, ওড়িশায় পাঠাব। বীজ সংরক্ষণের কারখানা নেই। আলুর দাম বেশি পাবেন তো বটেই, এখানে বীজ উৎপাদন কেন্দ্রও বানিয়ে দেব। এই কারণে বীজের দাম অর্ধেক হয়ে যাবে। আলুর দাম ১০ গুণ হবে। বীজের দাম অর্ধেক হয়ে যাবে। আলুচাষের জন্য এর থেকে আর কী বড় হতে পারে?
বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দু’টি জনসভা একটি পদযাত্রা রয়েছে। প্রথমটি ছিল হুগলির বলাগড়ে। দ্বিতীয়টি পুরশুড়ায়। এখানে সভা সেরে তার পর মধ্যমগ্রামে রোড শো করবেন তিনি। প্রথম দফার ভোট চলছে রাজ্যের ১৫২টি আসনে। একই দিনে রাজ্যে জনসভা করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।