PM Narendra Modi

‘যা দেখলাম, ৪ মে-র পরে বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে এই রাজ্যে আমাকে আসতেই হচ্ছে’! বললেন মোদী

বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট। ১৪২টি আসনে হবে ভোটগ্রহণ। সোমবার দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচারের শেষ দিন ভাটপাড়ায় সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:০১
Share:

সোমবার ভাটপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছবি: সংগৃহীত।

না-জানলেই নয়
শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:২৫ key status

‘ভারতীয় নাগরিকদের সমস্যা হবে না’!

‘‘বিজেপি জমানায় কোনও ভারতীয় নাগরিক, যে ধর্মেরই হোন তিনি, তাঁদের সমস্যা হবে না। কিন্তু অনুপ্রবেশকারীদের ছাড়া হবে না। মতুয়া, নমশূদ্রদের বলছি, নাগরিকত্ব মিলবেই। সব কাগজ, অধিকার পাবেন, যা ভারতীয় নাগরিকেরা পান। এটা মোদীর গ্যারান্টি। নেতাজি বলেন, রক্ত দাও, স্বাধীনতা দেব। আপনারা ৭০ বছর কংগ্রেস, বাম, তৃণমূলকে দিয়েছেন। আজ তারা সব জোটে রয়েছে। একটা সুযোগ বিজেপি-কে দিন, মোদীকে দিন। সকলে মিলে বাংলাকে সব বন্ধন থেকে মুক্তি দেব। হিংসা, তৃণমূলের দুর্নীতি, ভয়, সিন্ডিকেট, অনুপ্রবেশকারী, বেকারত্ব, পরিবারবাদ, তোষণের রাজনীতি থেকে মুক্তি দেব। পুরনো গৌরব ফিরে আসবে।’’ 

‘‘সব বুথ থেকে তৃণমূলকে সাফ করুন। কমল চিহ্নে ভোট দিন।’’

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:২৩ key status

‘সিটি অফ ফিউচার’!

‘‘তৃণমূল আপনাদের অধিকারের চাল লুটে নেয়। বিজেপি বন্ধ করবে। বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে আয়ুষ্মান ভারত কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মুক্ত চিকিৎসা হবে। ১৫ বছরে কলকাতার পরিচয় বদলে দিয়েছে। অনুপ্রবেশকারীদের এনেছে। সকলে মিলে এ সব বন্ধ করব। কলকাতাকে সিটি অফ ফিউচার করব।’’

Advertisement
শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:২১ key status

মহিলাদের প্রতিশ্রুতি!

‘‘যে বোনদের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে, তাঁরা ন্যায় পাবেন। হিসাব নেব। সব ফাইল খুলব। মহিলাদের রোজগার, চিকিৎসা বিজেপির প্রাথমিক লক্ষ্য। বাংলায় বিজেপি সরকার অন্তঃসত্ত্বাদের ২১ হাজার টাকা দেবে। মেয়ে হলে সুকন্যা সমৃদ্ধির সুবিধা দেবে। কলেজে ভর্তি হলে টাকা পাবেন। নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাইলে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। পাকা ঘর পাবেন।’’

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:১৭ key status

গ্যারান্টি

‘‘পিএম স্বনিধি যোজন, ফুটপাথে যারা কাজ করেন, তাঁরাও ব্যাঙ্ক থেকে সাহায্য পাবেন। এগুলো মোদীর গ্যারান্টি। এখানে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী করুন, ডবল ইঞ্জিনের লাভ পাবেন। কলকাতায় মেট্রোর যাতে দ্রুত বিস্তার হয়, তাই বিজেপি-কে ভোট দিন। বৈদ্যুতিন বাসের নতুন নেটওয়ার্ক হবে। এই মাটি রানি রাসমণির সাহসের গাথায় সমৃদ্ধ। সেখানকার মেয়েদের ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূল। এই রাজ্যকে অসুরক্ষিত করেছে মহিলাদের জন্য। ভোট দিতে যাওয়ার সময়ে গুন্ডাদের কথা মনে করবেন।’’

Advertising
Advertising
শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:১৩ key status

আয়বৃদ্ধি

‘‘এখানে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির বিস্তার হবে। আর্ট, গেমিং ক্ষেত্রে নতুন মঞ্চ করা হবে যুবসমাজের জন্য। বাংলার স্কুলে যাতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব হয়, সেই চেষ্টা করা হবে। গ্রামে ১২৫ দিনের আয়ের গ্যারান্টি দেওয়া হবে। জিরামজি আইন কার্যকর করা হবে। পিএম বিশ্বকর্মা যোজনা, মৎস্য যোজনা কার্যকর করা হবে, যাতে কারিগর, শিল্পীরা, মৎস্যজীবীদের আয়বৃদ্ধি হবে।’’

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:০৯ key status

সুবিধা!

‘‘এখানে রোজগার নেই। তাই যুবসমাজ বাধ্য হয়ে বাইরে কাজ করতে গিয়েছে। বৃদ্ধেরা একা হয়ে গিয়েছেন। বৃদ্ধাবাসের সংখ্যা বাড়ছে। বিজেপি সরকার এসে বাংলার যুবকদের এখানে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। সরকারি নিয়োগ সময়ে হবে। নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। শূন্যপদ দ্রুত পূরণ করা হবে। সরকারি কর্মীদের তৃণমূলের ভয় থেকে মুক্ত করা হবে। মোদীর গ্যারান্টি শুনে নিন, সপ্তম পে কমিশনের লাভ পাবেন সরকারি কর্মীরা।’’ 

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:০২ key status

মোদীর আর্জি

‘‘তৃণমূলকে সরাবেন তো? আজ ভারতের জন্য গোটা দুনিয়া উৎসাহিত। আমি আশ্বাস দিচ্ছি, কলকাতা এবং আশপাশের এ সব এলাকায় মেক ইন্ডিয়ার বড় হাব হবে। বিজেপি সরকার কারখানা নিয়ে সব সমস্যার সমাধান করবে। পরিকল্পনা করব। বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী করুন। পিএম, সিএম একসঙ্গে উন্নয়ন করবে।’’

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৫৯ key status

‘তৃণমূলকে হারাতে হবে’!

‘‘আপনাদের রোজগার বন্ধ হচ্ছে। গুন্ডাদের রোজগারের জায়গা, বোমার কারখানা ফুলেফেঁপে উঠছে। তৃণমূলের সিন্ডিকেটের দোকান বাড়ছে। এটাই ওদের জঙ্গলরাজ। নিজের বাড়ি, দোকান নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে ওদের সিন্ডিকেটকে জিজ্ঞাসা করতে হয়। তৃণমূলের সিন্ডিকেটকে ভাগাতে হবে, ওদের হারাতে হবে।’’

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৫৭ key status

কারখানা বন্ধ!

‘‘পরিবর্তন কেন জরুরি, তা ব্যারাকপুরের থেকে বেশি কেউ জানে না। যে ব্যারাকপুরে আগে বাইরে থেকে লোক আসতেন, কাজের জন্য, আজ সেখান থেকে লোক পালিয়ে যাচ্ছেন। বাধ্য হচ্ছেন। এখানে কারখানার শব্দ আসত এক সময়, আজ গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। অকল্যান্ড পাটকলে কী হল, সবাই দেখেছেন। আজ ব্যারাকপুরের দুর্ভাগ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাট, কাপড়কল বন্ধ হয়েছে একটার পর একটা। ব্যারাকপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল বেল্টে গত কয়েক মাসে এক ডজন পাটকল বন্ধ হয়েছে।’’

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৫৪ key status

‘রূপরেখা নেই’!

‘‘বাংলার মানুষের ভবিষ্যতের জন্য তৃণমূলের কাছে কোনও রূপরেখা নেই। কী করা হবে, কোথায় নিয়ে যাবে, তা-ও বলে না তৃণমূল। কারণ, ওদের কোনও ইচ্ছা নেই, দূরদর্শিতা নেই। 

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৫২ key status

‘কেন সুযোগ দেবেন’?

‘‘তৃণমূলের এক জন নেতাও রিপোর্ট কার্ড দেয়নি। যারা নিজের কাজের রিপোর্ট দিতে পারে না, তাদের কি সুযোগ দেওয়া উচিত? 

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৫০ key status

‘ফর্মুলা’!

‘‘প্রচারের সময় বাংলার বিকাশ নিয়ে বিজেপির পরিকল্পনা তুলে ধরেছি। তৃণমূলের নেতারা একবারও মা-মাটি-মানুষের নাম নেয়নি এই ভোটে। যে মন্ত্র নিয়ে তারা বাংলায় সরকার গড়েছিল, তা তারা ভুলে গিয়েছে। ১৫ বছর ওদের সুযোগ দিয়েছেন, মায়ের জন্য, নারী সুরক্ষার জন্য কিছু করেনি। মাটি, কৃষক, যুবক, মানুষের জন্য কিছু করেনি। কিছু বলার নেই বলে একটাই ফর্মুলা নিয়েছে, গালি দাও, হুমকি দাও, মিথ্যা বলো। মোদীকে, সেনাকে গালি দিয়েছে। বাংলার লোকজনকে হুমকি দিয়েছে।’’

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৪৭ key status

নতুন মন্ত্র!

‘‘বাংলায় যে বিজেপি সরকার আসছে, তারা শ্যামাপ্রসাদের সঙ্কল্প পূরণ করবে। ভারতের প্রগতি, সংস্কৃতি, স্বাধীনতায় বাংলার সন্তানদের ভূমিকা ছিল বড়। কিছু দূরে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি। বন্দে মাতরমের দেড়শো বছর পূর্তিতে বাংলাও ঐতিহাসিক পরিবর্তন করতে চলেছে। বন্দে মাতরম্ দাসত্ব থেকে মুক্তির মন্ত্র ছিল। এ বার বাংলার নব নির্মাণের মন্ত্র তৈরি করতে হবে। সুজলাং সুফলাং-কে নীতি করব, শস্য শ্যামলাং-কে রোজগারের পথ করব। মলয়জশীতলাম্‌‌-কে সুখ-সমৃদ্ধির পথ করব। দুর্গার শক্তিকে সুরক্ষার গ্যারান্টি করব।’’

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৪২ key status

‘বাংলাই জিতিয়েছিল শ্যামাপ্রসাদকে’!

‘‘এ বার যা দেখলাম, পূর্বোদয় হবেই। অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গের নারীশক্তি ভরসা করে বিজেপি-কে। বাংলা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে সাংসদ করেছিল। তাঁর প্রেরণা বিজেপির সঙ্কল্প হয়। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা রদ করে তাঁর একটি সঙ্কল্প পূরণ করেছি। আরও একটি সঙ্কল্প রয়েছে শ্যামাপ্রসাদের— বাংলার সমৃদ্ধি এবং শরণার্থীদের সমস্যার সমাধান।’’

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৩৮ key status

‘পূর্বোদয়’!

‘‘আজ বিকশিত ভারতে এই তিন স্তম্ভ জরুরি। ভারতের ভাগ্যোদয় পূর্বোদয় ছাড়া সম্ভব নয়। ভারতের ভাগ্যোদয় এবং পূর্বোদয় পরস্পরের পরিপূরক। ২০১৩ সাল থেকে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে থেকে বলছি, পূর্ব ভারত যখন এগোবে, তখন দেশ এগোবে। অঙ্গ, কলিঙ্গে কমল ফুটেছে। এখন বাংলার পালা।’’

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৩৭ key status

মোদীর দায়িত্ব

‘‘বাংলার সেবা করা, সুরক্ষিত করা, বড় চ্যালেঞ্জ থেকে তাকে রক্ষা করা আমার ভাগ্যে লেখা রয়েছে। আমার দায়িত্বও। এই দায়িত্ব থেকে পিছু হটব না। বাংলার এই ভোট, গোটা পূর্ব ভারতের ভাগ্য বদলানোর ভোট। যখন ভারত সমৃদ্ধ ছিল অতীতে, তখন তিনটি মজবুত স্তম্ভ ছিল— অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ অর্থাৎ বিহার, বাংলা, ওড়িশা। এই তিন স্তম্ভ দুর্বল যখন হয়, গোটা ভারতে ঝটকা লাগে।’’ 

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৩৪ key status

‘সেই বোনের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী’!

‘‘র‌্যালির সময় কাল দেখি, এক ছোট বোন রেলিং ভেঙে সামনে আসার চেষ্টা করেন। রক্ষীদের সঙ্গে বচসা হয়। তিনি না খেয়ে সকালে চলে আসেন সভাস্থলে। বাচ্চাদের বলেছিলেন, আমার সঙ্গে দেখা করে যাবেন। আমি ক্ষমাপ্রার্থী, ওই বোনের সঙ্গে দেখা করতে পারিনি। তাঁর বিশ্বাসকে সম্মান জানাই। কখনও না কখনও দেখা হবে। তাঁর আশীর্বাদ, আপনাদের আশীর্বাদ আমার উপর বর্ষিত হবে সব সময়।’’

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৩১ key status

জীবনের পুঁজি

‘‘বাংলার রোড শো, সভায় আমাকে আপন করে নেওয়ার বার্তা পেয়েছি। ছবি পেয়েছি। যত রাত হোক, রাতে গিয়ে সেই ছবি দেখি। ছবির পিছনে ছোট শিল্পীদের ভাব বোঝার চেষ্টা করি। চিঠি পড়ি। কোথাও কষ্ট দেখতে পাই, কোথাও আশা। আমি জবাব দিই। বাংলার জনতা জনার্দনের এই অসীম প্রেম আমার সৌভাগ্য। সকলের চোখে স্নেহ দেখি। এটাই আমার জীবনের পুঁজি। ওরা আমায় দেখে কেঁদে ফেললে ভাবনা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। রোড শো, সভা থেকে ফিরে গিয়ে কানে বাজে আপনাদের কথা।’’ 

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:২৭ key status

‘জনতার প্রেম’!

‘‘মা কালীর ভক্তদের মাঝে গিয়েছি। তাঁরা ভালবাসেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে অযোধ্যায় রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়,তার আগে ১১ দিন বিভিন্ন পুজো, আচার করেছি। দক্ষিণ ভারতের মন্দিরে গিয়েছি। এই ভোটেও তা-ই হচ্ছে। এর নেপথ্যে রয়েছে বাংলার জন্য আমার ভালবাসা। আমার আধ্যাত্মিক মননের কেন্দ্র হল বাংলা। ঈশ্বররূপী জনতার প্রেম ছিল।’’ 

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:২৫ key status

‘ক্লান্তি আসে না’!

‘‘এই দৌড়োদৌড়িতে একটু ক্লান্তি আসে। ৩০-৪০ বছর আগেও ক্লান্তি আসত। কিন্তু এই ভোটে অন্য অনুভূতি হচ্ছে। এই গরম সত্ত্বেও বাংলার ভোটে এতটুকু ক্লান্তি আসছে না। রোড শো শেষ হওয়ার পরেও মানুষের ভিড়। সেই ভিড়ের মধ্যে হেঁটেছি। হেলিপ্যাডে গিয়েছি। রোড শো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, তীর্থযাত্রা।’’

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও পড়ুন
Advertisement