Tips for young job seekers

চাকরির বাজারে নিজের কদর বাড়াতে চাই দক্ষতার প্রদর্শন, কী ভাবে তৈরি করবেন প্রোফাইল?

চাকরির বিজ্ঞাপনে প্রার্থীদের ডিগ্রি বা ডিপ্লোমার বিষয়ের সঙ্গে মূল শর্ত দক্ষতা বা স্কিল এর কথা উল্লেখ করা হচ্ছে। কাজের চাহিদা অনুযায়ী, দক্ষতা থাকা আবশ্যক হয়ে উঠছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:১৮
Share:

ছবি: এআই।

স্কুল বা কলেজের গণ্ডি পার করে এক সময় সংবাদপত্রের 'চাকরি চাই' কলামে বিজ্ঞাপন খোঁজাখুঁজি করত যুব সম্প্রদায়। সেই সময় পিছিয়ে গিয়েছে অনেকখানি। এখন অনলাইনেই খুঁজে নেওয়া যায় চাকরি। যোগ্যতা অনুযায়ী করে ফেলা যায় পছন্দসই সংস্থায় আবেদন। আবেদনের পদ্ধতি যেমন বদলেছে, তেমনই বদলেছে নিয়োগের শর্তও, প্রয়োজনীয় যোগ্যতার মাপকাঠি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নিয়োগকর্তারা প্রার্থীদের কর্ম দক্ষতার বিষয়ে খোঁজ নেন। কিন্তু কেন?

Advertisement

বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত উচ্চপদস্থ এক আধিকারিকের কথায়, “একজন নবিশকে প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজের উপযুক্ত করে তোলা সময় সাপেক্ষ এবং ব্যয় সাপেক্ষও বটে। তাই ন্যূনতম যোগ্যতার সম্পন্ন কোনও প্রার্থীর যদি কাঙ্খিত দক্ষতা বা স্কিলসেট থাকে, নিয়োগের পর দ্রুত কাজ শুরু হয়।”

তাই যাঁরা চাকরির জন্য আবেদন করছেন, তাঁরা কী কী বিষয় মাথায় রাখবেন?

Advertisement

১। দক্ষতার যথাযথ প্রমাণ:

কোডিং জানেন, কিন্তু ইন্টারভিউ বা পরীক্ষায় তার কোনও প্রমাণ দিতে না পারলে মুশকিল। এ ক্ষেত্রে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজেক্ট, পোর্টফোলিও, ইন্টার্নশিপের শংসাপত্র অবশ্যই থাকা প্রয়োজন। কী কী বিষয় শিখেছেন, কোথা থেকে শিখেছেন বা কোন কোন প্রকল্পে তা প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন— সেই সংক্রান্ত নথি জমা দিতেই হবে।

২। জীবনপঞ্জি হওয়া চাই আকর্ষণীয়:

সাধারণ ভাবে সাজানো জীবনপঞ্জি, যাতে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, ফোন নম্বরের তথ্য রয়েছে— দক্ষতা নির্ভর চাকরির ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য নয়। কী কী বিষয়ে দক্ষতা রয়েছে, কোথাও কাজ করেছেন কি না, সেই সমস্ত তথ্য জীবনপঞ্জির শুরুতেই থাকা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বিশেষ টুল বা প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের দক্ষতার কথাও উল্লেখ করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় তথ্য জীবনপঞ্জিতে দেওয়ার দরকার নেই।

৩। অভিজ্ঞতার ক্ষেত্র সম্পর্কে সঠিক তথ্য:

কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে, কিন্তু তা ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ কিংবা লাইভ প্রজেক্ট-এর। এ ক্ষেত্রে জীবনপঞ্জিতে তা স্পষ্ট উল্লেখ করা প্রয়োজন। শুধুমাত্র কত বছর কোন ক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে, তা লিখে দিলে চলবে না। এতে ভুল বোঝার সম্ভাবনা থাকে প্রবল।

৪। সফ্‌ট স্কিলের উল্লেখ:

কথা বলতে পারা, দলবদ্ধ ভাবে কাজ করা, জটিল বিষয়ের সহজ সমাধান করে নেওয়ার মত সফ্‌ট স্কিলের উল্লেখ করা প্রয়োজন। অনলাইনে চাকরির আবেদন জমা দেওয়ার সময় এমন কোনও বিকল্প দেওয়া থাকলে, তাতে নিজের দক্ষতার কথা অবশ্যই জানাতে হবে। সাধারণত প্রকল্প নির্ভর কাজে নিয়োগের সময় এই ধরনের দক্ষতা থাকলে নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।

৫। স্নাতকের পর পড়াশোনা চলুক:

ডিগ্রি কোর্সের পড়াশোনার পরও নিজে থেকে শেখার আগ্রহ থাকা প্রয়োজন। এখন অনলাইনে বিভিন্ন ধরনে দক্ষতাবৃদ্ধি মূলক কোর্স করানো হয়। এই সমস্ত বিষয়গুলি শিখে রাখতে পারলে নিয়োগের আবেদনে তা উল্লেখ করা যেতে পারে। এতে নিয়োগকর্তারাও আবেদন খুঁটিয়ে দেখার প্রতি আগ্রহী হবেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement