Salman Khan's Bajrangi Bhaijaan

‘মেয়েটি মুখ থেকে চিবোনো মাংস ফেলছিল, আর সলমন সেটা হাতে নিচ্ছিলেন’, ভাইজানের অন্য রূপ প্রকাশ্যে

২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘বজরঙ্গী ভাইজান’। কুরেশির চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন মনোজ। শুটিংয়ের সময়ে সলমনের একটি সুন্দর দিক তুলে ধরেছেন তিনি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬ ১৯:২৩
Share:

‘বজরঙ্গী ভাইজান’ ছবিতে হর্ষালী ও সলমন। ছবি: সংগৃহীত।

সলমন খানকে বলিউডের অনেকেই সমীহ করে চলেন। এককালে বলিউডের ‘ব্যাড বয়’ হিসাবে পরিচিত ছিলেন। সলমন মেজাজ হারালে ছবির সেটেও যেন থরহরি কম্প অবস্থা হত সবারই। কিন্তু আসলে ভাইজান নাকি খুবই ভাল মনের মানুষ। বিভিন্ন ক্ষেত্রে খুব আন্তরিকও। এমনই একটি ঘটনার কথা স্মরণ করলেন ‘বজরঙ্গী ভাইজান’ ছবির অভিনেতা মনোজ বক্সী।

Advertisement

২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল এই ছবি। কুরেশির চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন মনোজ। শুটিংয়ের সময়ে সলমনের একটি সুন্দর দিক তুলে ধরেছেন তিনি। ‘বজরঙ্গী ভাইজান’ ছবিতে ছোট্ট মুন্নির চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন হর্ষালী মলহোত্র। তখন সে একেবারেই শিশু।

মনোজ বলেন, “আমরা ‘বজরঙ্গী ভাইজান’-এর শুটিং করছিলাম। সেই সময়ে হর্ষালীকে মুরগির মাংস খেতে হয়েছিল। কবীর খান স্যর ওকে বলেছিলেন, একটা মাংসের টুকরো আনন্দ করে খেতে এবং খাওয়ার সময় হাসতে। কিন্তু যদি বাচ্চাটির মুখের ভিতর বড় টুকরো চলে যায় এবং সে যদি চিবোতে গিয়ে হাসতে না পারে, তা হলে তখনই মুখ থেকে চিবনো মাংসের অংশ সঙ্গে সঙ্গে বার করে হাসতে হবে।” এই পদ্ধতিতেই সেই দৃশ্যের শুটিং করা হয়েছিল। শুটিংয়ের সময়ে একাধিক বার মুখ থেকে চিবোনো মাংসের টুকরো বার করছিল, আর সলমন তা নিজের হাতে ধরছিলেন।

Advertisement

মনোজ বলেন, “সলমন নিজের হাতে অন্তত ২০ বার চিবোনো মাংসটা নিয়েছিলেন। বাচ্চাটি তাঁর নিজের সন্তানও নয়। তবুও তিনি ওর মুখ থেকে বার করা খাবার হাতে নিয়েছেন। এটা যে ভাবে দেখতে চান দেখুন। সলমন বড় তারকা ঠিকই। কিন্তু তিনি এক জন অসাধারণ মানুষও। সবাই ওটা পারত না।”

মনোজ বক্সী আরও একটি ঘটনার কথা জানান। ‘বজরঙ্গী ভাইজান’-এর পুরো টিম একসঙ্গে প্রেক্ষাগৃহে ছবি দেখতে গিয়েছিল। তিনি বলেন, “আমরা যখন ‘বজরঙ্গী ভাইজান’-এর শুটিং করছিলাম, তখন ‘ডলি কি ডোলি’ নামে একটি ছবি মুক্তি পেয়েছিল। সলমন বলেছিলেন, তিনি কলাকুশলীদের সবাইকে ছবিটি দেখাবেন। সবাই একসঙ্গে ছবি দেখতে গিয়েছিল। সলমনও সেখানে ছিলেন।”

ছবিটি শেষ হওয়ার পরে বেরনোর সময়ে সলমনের দেহরক্ষীরা সবাইকে ভিতরে থাকতে বলেছিলেন। কারণ, খবর ছড়িয়ে পড়েছিল যে সলমন প্রেক্ষাগৃহে আছেন এবং প্রচুর ভক্ত তাঁকে দেখতে বাইরে ভিড় করেছিলেন। মনোজ বলেন, “ওই ভক্তেরা বলেছিল, সলমন যদি দেখা না করেন, তা হলে তারা পাথর ছোড়া শুরু করবে। এর পর সলমন বাইরে গিয়ে সবার সঙ্গে দেখা করেন এবং তার পর সবাই চলে যায়। ওঁর জনপ্রিয়তা এমনই।”

এ সব ঘটনার পরে মনোজ নিজেও নাকি সলমনকে বলেছিলেন, “আপনার রাগী ভাবমূর্তিটা ভালই। কিন্তু আপনি আসলে তেমন নন। আপনি খুব মিষ্টি স্বভাবের মানুষ। আপনি সাধারণ কাউকে পছন্দ করলেও তার জন্য অনেক কিছু করতে পারেন।” মনোজ সব শেষে এ-ও বলেন, “শাহরুখ খান এখনও নিজের মাথা দিয়ে ভেবে সব কাজ করেন। কিন্তু সলমন নিজের হৃদয়ের কথা শোনেন।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement