Madhoo Shah

ভরা বাজারে ঘিরে ধরে মদ্যপেরা! নাচের পোশাকে ছিলেন মধু, কী ভাবে নায়িকাকে বাঁচান মোহনলাল?

সম্প্রতি পরিচালক সঙ্গীত শিবনের ‘যোদ্ধা’ ছবির শুটিংয়ের একটি ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন মধু। তিনি জানান, শুটিং চলাকালীন এক দল মদ্যপ লোকের হাত থেকে তাঁকে বাঁচিয়েছিলেন মোহনলাল।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬ ২১:৪৩
Share:

নেপালের বাজারে মধুকে কী ভাবে বাঁচান মোহনলাল ছবি: সংগৃহীত।

মণি রত্নমের ‘রোজা’ ছবিতে নজর কেড়েছিলেন মধু শাহ। তামিল, হিন্দি, তেলুগু, কন্নড় এবং মলয়ালম চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন তিনি। মলয়ালম ছবিতে মোহনলাল এবং মাম্মুট্টির সঙ্গে একটি করে ছবিতে অভিনয় করেছিলেন, সেগুলি নিয়ে আজও আলোচনা হয়। সেই দু'টি ছবির মধ্যে একটি হল ‘যোদ্ধা’।

Advertisement

সম্প্রতি পরিচালক সঙ্গীত শিবনের ‘যোদ্ধা’ ছবির শুটিংয়ের একটি ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন মধু। তিনি জানান, শুটিং চলাকালীন এক দল মদ্যপ লোকের হাত থেকে তাঁকে বাঁচিয়েছিলেন মোহনলাল। ছবির বেশিরভাগ অংশের শুটিং হয়েছিল নেপালে। আর সেটিই ছিল বিদেশে তাঁর প্রথম কাজের অভিজ্ঞতা। মধু জানান, সেই সময়ে তিনি একাই ছিলেন। অন্য সময়ের মতো তাঁর বাবা তাঁর সঙ্গে যেতে পারেননি। ফলে বাড়ির জন্য মনখারাপ করত তাঁর।

মধু জানান, ‘কুনু কুনে’ নামে একটি গানের শুটিং চলছিল একটি ব্যস্ত বাজার এলাকায়। সেই সময়ে হঠাৎ এক দল মদ্যপ লোক ভিড় করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়। তখন মোহনলাল এবং ছবির কলাকুশলীরা দ্রুত পদক্ষেপ করেন। তাঁরা মধু ও সেখানে উপস্থিত মহিলাদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যান সঙ্গে সঙ্গে এবং সম্ভাব্য বিপদ থেকে কোনও মতে তাঁদের রক্ষা করেন।

Advertisement

মধু সাক্ষাৎকারে বলেন, “সন্ধ্যা ছ’টার পরে ওই বাজার এলাকায় সবাই মদ্যপান করত। আমরা একটি মন্দিরের মতো কাঠামোর উপর নাচের দৃশ্যের শুটিং করছিলাম। আমার মনে হচ্ছিল ভিড়টা ধীরে ধীরে আমাদের দিকে এগিয়ে আসছে। আমি সহকারীদের জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ভিড় কি কাছে চলে আসছে? ওরা বলেছিল, না। কিন্তু হঠাৎই আমরা বুঝতে পারলাম, তারা আমাদের থেকে মাত্র তিন ধাপ দূরেই রয়েছে। আর তারা ছিল মাতাল ও উচ্ছৃঙ্খল জনতা।”

মধু জানান ,কী ভাবে মোহনলাল তাঁকে উদ্ধার করেছিলেন। তিনি বলেন, “তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, কী ঘটছে। সঙ্গে সঙ্গে আমার একটা হাত ধরেন। কলাকুশলীদের এক জন আমার অন্য হাত ধরেন। তার পর তাঁরা আমাকে মন্দিরের সিঁড়ি থেকে নীচে নামিয়ে ভিড়ের মধ্যে দিয়ে নিয়ে যান। নীচে একটি গাড়ি অপেক্ষা করছিল। সেখান থেকে আমাকে সরাসরি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। আমার সঙ্গে তখন মাত্র আট জন মেয়ে নাচছিল। আমরা সবাই থানায় গিয়েছিলাম। আমার এখনও মনে আছে, আমি বাবাকে ফোন করে পুরো ঘটনার কথা বলেছিলাম।” তবে মধু জানান, তিনি নাচের পোশাক পরে ভিড়ের মধ্যে দিয়ে গেলেও কেউ তাঁকে স্পর্শ পর্যন্ত করেনি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement