নায়িকা মানেই ‘পারফেক্ট’ নন, মত স্বস্তিকার। ছবি: সংগৃহীত।
নায়িকা মানেই তাকে হতে হবে ‘পারফেক্ট’। এমনই ধারণা দর্শকের একাংশের। মাথার চুল থেকে পায়ের নখ— সবটা হবে টিপটপ, নিখুঁত। একটু এ দিক থেকে ও দিক হলেই সমাজমাধ্যমে নেতিবাচক মন্তব্যের বন্যা। অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্ত সম্প্রতি এই বিষয় নিয়েই মুখ খুললেন।
এই মুহূর্তে ছোটপর্দার দর্শকের কাছে তিনি ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’। গত কয়েক সপ্তাহে তাঁর চরিত্র মোড় নিয়েছে অন্য দিকে। তাঁর ‘লুক’-এও এসেছে বদল। সম্প্রতি, কিছু দৃশ্যে স্বস্তিকাকে এমন ভাবে দেখা গিয়েছে, যেখানে রূপটানের লেশমাত্র ছিল না। তাতে স্বাভাবিক ভাবেই ক্যামেরায় ধরা পড়েছে তাঁর ত্বকের ব্রণ। সাধারণত ত্বকের দাগ বা ব্রণ মেকআপ-এর সাহায্যে ঢেকে তবেই ক্যামেরায় ধরা দেন নায়িকারা। সেখানে স্বস্তিকা কি ব্যতিক্রম?
‘গালের ব্রণ বা দাগ মেকআপ-এর সাহায্যে ঢাকি না।’ ছবি: সংগৃহীত।
এ প্রসঙ্গে নায়িকা বললেন, “আমরাও রক্ত মাংসের মানুষ। আমার যেমন পিসিওএস (হরমোনাল সমস্যা) রয়েছে৷ আমার আরও কিছু ব্যক্তিগত সমস্যা আছে। যা শুধুই আমার কাছের মানুষেরা জানেন। আর তা ছাড়া কোনও হাসপাতালের দৃশ্যে অভিনয় করলে, সেখানে যদি চড়া মেকআপ নিয়ে অভিনয় করি, তা বিশ্বাসযোগ্য হয় না। তাই কখনও গালের ব্রণ বা দাগ মেকআপ-এর সাহায্যে ঢাকি না।”
অভিনয়ের সবটা যে কাল্পনিক, তা নয়— সেটাই বোঝানোর চেষ্টা করেন নায়িকা। তাঁর কথায়, কয়েক জন সত্যিকারের মানুষ একটি কাল্পনিক ঘটনাকে তুলে ধরছে। আর রক্তমাংসে গড়া মানুষের অসুস্থতা থাকতে পারে। অভিনেত্রীর ধারণা, যাঁরা তাঁকে অনুসরণ করেন, এই ভাবনা তাঁদের আগামী দিনে সাহায্য করবে। নায়িকাদেরও ব্রণ হতে পারে, এটা সবাইকে বুঝতে হবে। অনুরাগীদেরও বুঝতে হবে, নায়িকারা সাধারণ মানুষ। এমনই ভাবনা স্বস্তিকার।