(বাঁ দিকে) অক্ষয় কুমার, (ডান দিকে) টুইঙ্কল খন্না। ছবি: সংগৃহীত।
সদ্য ২৫তম বিবাহবার্ষিকী পালন করেন অক্ষয় কুমার ও টুইঙ্কল খন্না। বিয়ের আগে অক্ষয়ের একাধিক প্রেমের কথা অনেকেরই জানা। তবে শেষপর্যন্ত টুইঙ্কলের সঙ্গেই ছাঁদনতলায় যান তিনি। এমনিতে টুইঙ্কল ও অক্ষয় নাকি দুই বিপরীত মেরুর মানুষ। অক্ষয় জানিয়েছিলেন, এই বৈপরীত্যের কারণেই নাকি টিকে গিয়েছে তাঁদের বিয়ে। এ বার দাম্পত্যজীবনের গোপন কথা ফাঁস করলেন অভিনেতা!
অক্ষয় নাকি এমনিতে শান্ত স্বভাবের মানুষ। টুইঙ্কলই বরং চট করে রেগে যান। আর তখনই চিৎকার চেঁচামেচি করে ফেলেন। এমনিতে অবশ্য হাসিঠাট্টার মধ্যেই থাকতে ভালবাসেন। কিন্তু, রেগে গেলে কাউকে রেয়াত করেন না। শোনা যায় একটা সময় প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে স্বামীর পরকীয়ার খবর শুনতে পেয়ে অক্ষয়ের পিছনে রীতিমতো গোয়েন্দাগিরি করেছিলেন টুইঙ্কল। স্বামীর বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের গুঞ্জন কানে যেতেই অক্ষয়ের সঙ্গে তুমুল অশান্তি শুরু হয় তাঁর। বলিপাড়ার একাংশের দাবি, ২০০৪ সালে ‘ওয়াক্ত: দ্য রেস এগেনস্ট টাইম’ ছবির শুটিং চলাকালীন গোয়ার এক বিলাসবহুল হোটেলে গিয়েছিলেন অক্ষয়। সেই হোটেলের লবিতে সকলের সামনে অক্ষয়ের সঙ্গে ঝগড়া করতে দেখা যায় টুইঙ্কলকে। ঝগড়া করতে করতে অক্ষয়কে নাকি চড়ও মেরেছিলেন টুইঙ্কল। এক বার নাকি প্রিয়ঙ্কাকে মারতেও শুটিং সেটে পৌঁছে গিয়েছিলেন। তখন যদিও প্রিয়ঙ্কা সেটে ছিলেন না।
সম্প্রতি নিজের ২৫ বছরের দাম্পত্যজীবন প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে অক্ষয় জানান, বিয়ে টিকিয়ে রাখতে গেলে ক্ষমা চেয়ে নেওয়াটা শিখে নিতে হবে। এ ছাড়াও অক্ষয় বলেন, ‘‘টুইঙ্কলের রাগ হলে আমি বিছানার যে দিকটা শুই, সেটা পর্যন্ত ভিজিয়ে দেয়। পুরো জায়গাটায় জল ঢেলে দেয়, তবে ওর শান্তি হয়।’’ বিবাহবার্ষিকীর দিনে টুইঙ্কলের মতো জীবনসঙ্গী পাওয়া নিয়ে উচ্ছ্বসিত পোস্ট করেন অক্ষয়।