মোদীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ অনুপ জলোটা! ছবি: সংগৃহীত।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ শিল্পীমহল। দেশের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। ১০ জুন এই নজির গড়েছেন তিনি। এই বিষয়টি নিয়েই উচ্ছ্বাস শিল্পীমহলের একাংশের। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ৪,৩৯৯ দিন দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।
২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর আসনে নরেন্দ্র মোদী। কেটে গিয়েছে ১২ বছর, অর্থাৎ এক যুগ। তাই প্রধানমন্ত্রীর ভক্ত তথা অভিনেত্রী নীতু চন্দ্রের মতে, গত কয়েক বছর ধরে অবিরাম দেশের কাজ করেছেন তিনি। ‘মোদীজি’র প্রশংসায় পঞ্চমুখ নীতু সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “সবার আগে প্রধানমন্ত্রীকে অনেক শুভেচ্ছা। আপনি বহু বছর ধরে দেশের সেবা করে চলেছেন এবং সেই কাজ এখনও অব্যাহত। এই সময়ে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে এবং তা ভবিষ্যতেও চলবে, আমাদের প্রত্যাশা এমনই।”
এখানেই শেষ নয়। তিনি আরও বলেছেন, “আমি নিশ্চিত, আপনার সামনে আরও অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। আশা করি, আপনি নারীদের উন্নয়নের দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেবেন। আপনার নেতৃত্বে ভারত আরও উন্নতির শিখরে পৌঁছে যাক, সেটাই আমরা দেখতে চাই। আমরা ভারতের নারীরা আপনার কাছে অনেক প্রত্যাশা রাখি। আমি নিশ্চিত, ভবিষ্যতে আরও অনেক ভাল কাজ হবে।”
গায়ক অনুপ জলোটাও বরাবর পদ্মশিবিরের ভক্ত হিসাবেই পরিচিত। তিনিও মোদীর প্রশংসা করেছেন। তাঁর আশা, আরও কয়েক বছর মোদীই থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। ‘মোদীজি’ বলে সম্বোধন করে তিনি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “এর আগে কোনও প্রধানমন্ত্রী এত দীর্ঘ সময় এই পদে ছিলেন না। ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেহরুজিও এত দিন ছিলেন না। মোদীজি নেহরুজির চেয়েও বেশি সময় এই দায়িত্বে রয়েছেন। আমি চাই, মোদীজি স্থায়ী প্রধানমন্ত্রী হয়ে থাকুন। আমি অন্য কাউকে চাই না। আমি চাই তিনি সবসময় থাকুন। তিনি দেশের অনেক উন্নতি করেছেন।”
সঙ্গীতশিল্পী আরও বলেন, “তিনি সারা বিশ্বে ভারতের সম্মান বাড়িয়েছেন। আমি মোদীজি এবং দেশের সকল মানুষকে শুভেচ্ছা জানাই। নরেন্দ্র মোদীই সবচেয়ে বেশি সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমি তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করি। তিনি যেন দেশকে উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন।”
উল্লেখ্য, মোদীর প্রধানমন্ত্রিত্বের এক যুগ পার হওয়া নিয়ে উচ্ছ্বসিত সারা দেশ। তবে এরই পাশাপাশি, এই ১২ বছরে বিজেপি সরকার তথা মোদীর সাফল্য ও ব্যর্থতার হিসাবনিকাশও করছে দেশবাসী। এক দিকে যেমন নেটপাড়ায় মোদীর জয়জয়কার, তেমনই উঠে এসেছে নিট কেলেঙ্কারি থেকে অর্থনীতির অবস্থা এবং নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের পরিবেশ বিতর্ক নিয়ে কথাবার্তাও।