আয়েশা খান। ছবি: সংগৃহীত।
‘ধুরন্ধর’ ছবিতে ‘শরারত’ গানে আয়েশা খানের নাচ নিয়ে বিপুল আলোচনা হয়েছে। জনপ্রিয় এই গানে নাচতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন আয়শা। ঋতুস্রাবের যন্ত্রণা নিয়ে নেচেছিলেন। নিজেই জানিয়েছিলেন সে কথা। যদিও পাশে পেয়েছিলেন পরিচালক আদিত্য ধরকে। কিন্তু, এই মন্তব্যের কারণেই সমাজমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে শুরু হয়েছে হাসাহাসি, কটাক্ষ। রীতিমতো ট্রোলের শিকার তিনি।
আয়েশা সেই দিনের শুটিং সম্পর্কে বলেছিলেন, “প্রচণ্ড চাপ ছিল সেই দিন। আমাদের সারা শরীরের হাড়ে ব্যথা হয়ে গিয়েছিল। ঋতুস্রাবের জন্য আমার শরীরে বাড়তি ক্লান্তি ছিল। সেই সঙ্গে মেজাজও খুব একটা নিয়ন্ত্রণে ছিল না। তাই কাঁদতে শুরু করে দিয়েছিলাম। তবে এই চোখের জল আনন্দ থেকেই এসেছিল।” তবে, তাঁর এমন সংবেদনশীল মন্তব্য নিয়ে কটাক্ষের শিকার হতে হবে, তা ভাবতে পারেননি আয়েশা।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আয়েশা আবার বলেন, ‘‘এটা দুর্ভাগ্যজনক! আসলে আপনি যা-ই করুন বা বলুন, সবকিছুই এখন হাসির বিষয়। সবকিছু নিয়ে হাসতে পারাটা ভাল। কিন্তু, যে কোনও কিছু নিয়েই হাসাহাসি মোটেও কাজের কথা নয়। আমি সম্ভবত এটা বুঝতেও পারিনি, আমার এই আবেগটা ‘ন্যাশনাল জোক’ হয়ে দাঁড়াবে। কারণ, বিষয়টা আমার কাছে খুবই স্বাভাবিক ছিল। প্রতি মাসে আমরা এই চক্রের মধ্য দিয়ে যাই। ঋতুস্রাবের সময় আমরা অনেক কিছুই করি। অথচ আমার বিষয়টা খোরাকে পরিণত হল। তবে আমি একজন গর্বিত নারী। এই অবস্থায় যা যা করি, তা নিয়ে আমি সত্যিই অত্যন্ত গর্বিত।”