Bobby deol

‘সারা দিন মদের নেশায় চুর থাকতাম, তা-ও ছেড়ে যায়নি তান্যা’, শেষমেশ ববি নেশামুক্ত হলেন কী ভাবে?

অভিনয় জীবনের গোড়ার দিকে সাফল্যের মুখ দেখলেও তার পরে একটা সময় দীর্ঘ দিন হাতে কোনও কাজ ছিল না ববির। হতাশায় ডুবতে শুরু করেন ধর্মেন্দ্র-পুত্র। শুর হয় মদ্যপান।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ জুন ২০২৬ ১৪:২৬
Share:

ববি দেওল ছবি: সংগৃহীত।

‘অ্যানিম্যাল’ ছবির হাত ধরে কর্মজীবন যেন ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেল ববি দেওলের। সম্প্রতি ‘দ্য ব্যাডস অফ বলিউড’ সিরিজ়েও ববির অভিনয় বহুল প্রশংসিত হয়েছে। যদিও এক সময়ে তাঁর কাজ কমতে শুরু করেছিল। সেই সময় ভয়ঙ্কর ভাবে মদের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েন তিনি। ববি জানান, চাইলে তাঁর স্ত্রী তান্যা যে কোনও সময় ছেড়ে চলে যেতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। শেষমেশ মদের নেশা ছাড়লেন ছেলে আর্যমানের কথায়।

Advertisement

ধর্মেন্দ্রর ছেলে হওয়ার সুবাদে একের পর এক সফল ছবিতে কাজ পেয়েছেন। অভিনয় জীবনের গোড়ার দিকে সাফল্যের মুখ দেখলেও তার পরে একটা সময় দীর্ঘ দিন হাতে কোনও কাজ ছিল না ববির। হতাশায় ডুবতে শুরু করেন ধর্মেন্দ্র-পুত্র। ববি বলেন, ‘‘মদের নেশা ভয়ঙ্কর। এটা মস্তিষ্কের সঙ্গে খেলা করে। আমি রোজ মদ খাচ্ছি, এমন নয়। কিন্তু খাওয়ার পর যেন মানুষটা অন্য হয়ে যেতাম। সে কারণে আমার বাড়ির লোকেরা আতঙ্কে থাকত। সারা দিন বাড়িতে বসে মদ্যপান করতাম।’’ একটা সময় রোজগার কমতে শুরু করে সংসার খরচ চালানোর টাকাও নাকি ছিল না স্ত্রী তান্যা সমস্ত খরচ চালাতে শুরু করেন।

ববির যুক্তি, বাবা ধর্মেন্দ্র মদ্যপান করতে ভালবাসেন, সেখান থেকে মদের প্রতি আসক্তি আর সেখান থেকেই নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন তিনি। কিন্তু বাবার এমন অবস্থা দেখে প্রথম আপত্তি জানান তাঁর বড় ছেলে আর্যমান। ববি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘‘একদিন ছেলে আমার স্ত্রীকে বলছে, ‘মা তুমি রোজ কাজে যাও, বাবা তো বাড়ি বসে থাকে!’ এই কথাটা শুনে অনেক কিছু বদলে গেল।’’ ছেলের কাছ থেকে এমন কথা শুনে মদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তবে তিনি কৃতজ্ঞ স্ত্রীর কাছে যে, কখনও তাঁর উপর কোনও জোর খাটাননি। ববির কথায়, ‘‘তান্যা চাইলেই আমাকে ছেড়ে যেতে পারত। কিংবা মদ ছাড়ার জন্য জোরাজুরি করতে পারত। ও কখনও তেমন কিছু করেনি।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement