Chris Brown

আইনি জটে আমেরিকার গায়ক ক্রিস ব্রাউন, প্রাক্তন গৃহপরিচারিকার অভিযোগের ভিত্তিতে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ?

২০২০ সালে ব্রাউনের ক্যালিফোর্নিয়ার টারজ়না এলাকার বাড়িতে তাঁর পোষ্য, ককেশিয়ান শেফার্ড প্রজাতির কুকুরের হামলায় গুরুতর জখম হন গৃহপরিচারিকা মারিয়া আভিলা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই জল গড়িয়েছে বহুদূর।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬ ১৩:১৬
Share:

আমেরিকার গায়ক ক্রিস জট কেন জড়িয়েছেন আইনি জটে? ছবি: সংগৃহীত।

আইনি জটে আমেরিকার গায়ক-গীতিকার ক্রিস ব্রাউন। তাঁর প্রাক্তন গৃহপরিচারিকাকে প্রায় ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিল লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি আদালত। ২০২০ সালে ব্রাউনের ক্যালিফোর্নিয়ার টারজ়না এলাকার বাড়িতে তাঁর পোষ্য ‘ককেশিয়ান শেফার্ড’ প্রজাতির কুকুরের হামলায় গুরুতর জখম হন গৃহপরিচারিকা মারিয়া আভিলা। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার শেষে, অবহেলার অভিযোগে ব্রাউন এবং তাঁর সংস্থা ‘ব্ল্যাক পিরামিড এলএলসি’-র বিরুদ্ধে এই রায় দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

আদালতে মারিয়া জানান, ঘটনার দিন তিনি বাড়ির আবর্জনা ফেলতে বেরিয়েছিলেন। সেই সময় হেডিস নামে গায়কের প্রায় ৯০ কেজি ওজনের পোষ্য তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। হামলায় তাঁর মুখ ও হাতের একাধিক অংশে মারাত্মক ক্ষত তৈরি হয়। শরীরের বিভিন্ন জায়গা বিকৃত হয়ে যায় বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, এখনও নাকি চলাফেরার সমস্যায় ভুগছেন তিনি।

আদালতের রায়ে মারিয়াকে ১২.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মারিয়ার বোন প্যাট্রিসিয়া আভিলাকে ৮ লক্ষ ৮৫ হাজার ডলার এবং স্বামী অস্কার অলিভোকে ৫০ হাজার ডলার দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

বিচার চলাকালীন ক্রিস ব্রাউন জানান, রক্তাক্ত অবস্থায় মারিয়াকে দেখে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর দাবি, ম্যানেজারের পরামর্শেই তিনি ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান। কারণ, তিনি আশঙ্কা করেছিলেন, পুলিশ আসার সময় তিনি সেখানে থাকলে বা ৯১১-এ ফোন করলে তা নিয়ে বড়সড় ‘মিডিয়া সার্কাস’ তৈরি হতে পারে।

ব্রাউনের আরও দাবি, তিনি আগেই মারিয়া এবং তাঁর বোনকে পোষ্যদের কাছাকাছি না যাওয়ার জন্য সতর্ক করেছিলেন। তাঁর কথায়, পোষ্যেরা মোটেই বন্ধুসুলভ ছিল না। তবে মারিয়া ও প্যাট্রিসিয়া আদালতে সেই দাবি অস্বীকার করেন। তাঁদের বক্তব্য, এমন কোনও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি। উপরন্তু ভাষাগত সমস্যার কারণে ওই ধরনের কথোপকথন হওয়ার সম্ভাবনাও ছিল না।

নিরাপত্তার স্বার্থেই তিনি কুকুরটি পুষেছিলেন বলে আদালতে দাবি করেন ব্রাউন। তাঁর কথায়, প্রায়ই অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে। তবে শেষপর্যন্ত গৃহপরিচারিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে ব্রাউন ও তাঁর সংস্থাই দায়ী বলে রায় দিয়েছে আদালত।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement