এক ফ্রেমে বিজয় থলপতি-তৃষা কৃষ্ণন। ছবি: সংগৃহীত।
সম্পর্কের গুঞ্জনের মাঝেই বিজয় থলপতি-তৃষা কৃষ্ণন ফ্রেমবন্দি হতেই সাবাশি জানালেন পরিচালক মোহন জি ক্ষত্রিয়ান! নিমেষে নেটাগরিকদের ক্ষোভের শিকার তিনি! অভিযোগ, এ ভাবেই নাকি পরকীয়াকে সমর্থন জানিয়েছেন মোহন। কিন্তু তিনি নাকি বলতে চেয়েছিলেন যে, বিজয় থলপতি নিজস্ব ভঙ্গিতে কুৎসার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। মোহনের কথারও ভিন্ন ব্যাখ্যা করা হল?
বিজয়-তৃষা দু’জনেই বিনোদনদুনিয়ার তারকা। উভয়ের বয়সের ব্যবধান ৯ বছর। গুঞ্জন, তাঁরা নাকি পরস্পরের প্রেমে ডুবে আছেন। এই অভিযোগ খোদ বিজয়ের স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিঙ্গমের। তাঁরা একসঙ্গে সময় কাটিয়েছেন, দাবি তাঁর। সঙ্গীতা আপাতত ২৭ বছরের দাম্পত্য ভেঙে বেরিয়ে আসতে চান। বাবাকে সমাজমাধ্যমে অনুসরণ করা বন্ধ করে দিয়েছেন ছেলে জেসন সঞ্জয়ও।
সমাজমাধ্যম থেকে সংবাদমাধ্যম— সর্বত্র যখন তাঁদের ‘পরকীয়া’য় ছয়লাপ, তখনই সাহসী পদক্ষেপ বিজয়ের। বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ে প্রযোজক কল্পতী এস. সুরেশ এবং মীনাক্ষী সুরেশের ছেলের বিয়ের প্রীতিভোজে একসঙ্গে উপস্থিত হন আলোচিত জুটি। বিজয়-তৃষা এক ফ্রেমে ধরা দিতেই দক্ষিণী পরিচালক সেই ছবি ভাগ করে লেখেন, “দম আছে!” সঙ্গে এটাও যোগ করেন, “অভিনেতা বিজয় স্যর নিজস্ব ভঙ্গিতে জবাব দিলেন। সমস্ত গুজব বন্ধ করে দিলেন।”
সঙ্গে সঙ্গে নেটাগরিকেরা তাঁর উপরে খড়্গহস্ত। জনৈক নেটাগরিক লেখেন, “আপনার প্রতি আমার অনেক শ্রদ্ধা এবং আশা ছিল। আমি বিশ্বাস করতাম, আপনি আমাদের সংস্কৃতি এবং ধর্মের সমর্থক। আপনার এই বক্তব্য সত্য প্রকাশ্যে এনেছে। বিনোদনজগৎ কী ভাবে খ্যাতি এবং অর্থের জন্য সব কিছু করতে পারে, তা-ই প্রমাণিত। সিনেমায় দেখানো মূল্যবোধ খুব কম বাস্তবজীবনে দেখা যায়। আপনাকে আর অনুসরণ করব না!” কটাক্ষের মুখে প়ড়ে আবার সমাজমাধ্যমে সরব হন মোহন। পরিচালক জানান, তিনি বিজয়ের সততা, সাহসের প্রশংসা করেছিলেন। পরিচালকের কথায়, বিজয় গুঞ্জনের মাঝে গুটিয়ে যাননি, সপাট জবাব দিয়েছেন তৃষার সঙ্গে সর্বসমক্ষে এসে। এই পদক্ষেপ বাহবা পাওয়ার মতোই। কিন্তু লোকে নাকি মোহনকে ভুল বুঝছে!