রাজ চক্রবর্তী। ছবি: সংগৃহীত।
ফেডারেশন নাকি বাংলা ছবি এবং ধারাবাহিকের পরিচালকদের স্বাধীন ভাবে কাজ করতে দেয় না, এই অভিযোগ অনেক বছরের। খবর, এই অভিযোগ থেকেই পরিচালক-ফেডারেশন বিবাদ কলকাতা হাই কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছিল। এর জেরে মামলার সঙ্গে যুক্ত একাধিক পরিচালক এবং অভিনেতা-পরিচালক ইন্ডাস্ট্রিতে ‘নিষিদ্ধ’ হয়ে গিয়েছিলেন বলেও শোনা যায়। এই আবহে কি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল রাজ চক্রবর্তীর ধারাবাহিকের শুটিং?
সংগঠনের নিয়ম, কোনও শুটিং শুরুর ৭২ ঘণ্টা আগে জানাতে হবে ফেডারেশনকে। অভিনেতা এবং টেকনিশিয়ানদের নামের তালিকা জমা দিতে হবে তখনই। খবর, রাজ তাঁর নতুন ধারাবাহিকের অভিনেতা ও টেকনিশিয়ানদের নামের তালিকা নির্দিষ্ট সময়ে জমা দিতে পারেননি। শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়োয় সেই তালিকা জমা দেন শুটিং শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে। সেই জন্যই নাকি নির্দিষ্ট দিনে শুটিং আটকে দেওয়া হয়।
সত্যিই কি এরকম কিছু ঘটেছে? জানতে আনন্দবাজার ডট কম যোগাযোগ করেছিল ধারাবাহিকের পরিচালক অমিত দাসের সঙ্গে। তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন। বলেছেন, “ফেডারেশনের এই নিয়ম অনেক দিনের। আমাদের কাজের খুব চাপ ছিল। ফলে ৪৮ ঘণ্টা আগে আমরা নামের তালিকা জমা দিই। নির্দিষ্ট সময়ে জানানো হয়নি বলেই ফেডারেশনের তরফ থেকে শুটিং আটকে দেওয়া হয়।” পরিচালক আরও জানিয়েছেন, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়া হয়েছে। ৯ মার্চ থেকে শুটিং শুরু হয়েছে ধারাবাহিকের। রাজের নতুন ধারাবাহিকে প্রথম বার জুটি বাঁধছেন রণজয় বিষ্ণু, অভীকা মালাকার।
অমিতের আরও দাবি, এই একই নিয়মের কারণে অন্য আর একটি চ্যানেলের ধারাবাহিকের শুটিং-ও আটকে গিয়েছিল সম্প্রতি। ফেডারেশন প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই একই নিয়ম মেনে চলে।