Neena Gupta

‘শক্তিশালী নারীরা বিবাহযোগ্যা নয়, পুরুষ পছন্দ করে অসহায় মহিলা’, ফের বিতর্কিত মন্তব্য নীনার?

একসময় বিয়ে না করেই সন্তানের জন্ম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সমাজ কী বলবে, তা নিয়ে ভাবেননি। তার পরে নানা রকমের কটাক্ষে বিদ্ধ হয়েছেন অভিনেত্রী। কিন্তু নিজের মতামত বরাবর স্পষ্ট প্রকাশ করেছেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:৪৯
Share:

কেন এমন বললেন নীনা? ছবি: সংগৃহীত।

“শক্তিশালী মতামত রয়েছে, এমন মহিলাদের পছন্দ করেন না পুরুষেরা। এই ধরনের মহিলারা সাধারণত বিবাহযোগ্যাও হন না”, বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠান নিয়ে ফের স্পষ্ট মত প্রকাশ করলেন নীনা গুপ্ত।

Advertisement

বিয়ে না করেই সন্তানের জন্ম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন একসময়। সমাজ কী বলবে, সে নিয়ে ভাবেননি। তার পরে নানা রকমের কটাক্ষে বিদ্ধ হয়েছেন অভিনেত্রী। কিন্তু নিজের মতামত বরাবর স্পষ্ট প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, পুরুষতান্ত্রিক সমাজে শক্তিশালী মহিলাদের বিবাহযোগ্যা মনেই করা হয় না। পুরুষের সামনে যে মহিলারা নিজেদের ভাবনার কথা স্পষ্ট প্রকাশ করেন, তাঁরা বিয়ের জন্য মোটেই ভাল নয়, এমনই মনে করে এই সমাজ।

নীনা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “একজন শক্তিশালী মহিলা বিবাহ উপযুক্ত নয়। পুরুষেরা এই ধরনের মহিলাদের পছন্দ করেন না। বেশির ভাগ পুরুষ। অসহায় মহিলাদের পছন্দ করেন তাঁরা।” পুরুষের উপর নির্ভর করবে, এমন মহিলাই পছন্দ করেন তাঁরা। নিজের প্রয়োজন নিজে মেটাতে পারেন, এমন মহিলাদের পছন্দ করে না পুরুষেরা। দাবি নীনা গুপ্তের। তাঁর কথায়, “যে মহিলাদের নিজস্ব ভাবনাচিন্তা, মতামত রয়েছে, তাঁদের অধিকাংশ পুরুষ সহ্য করতে পারেন না। যে মহিলারা নিজেদের কর্মজীবনকে অগ্রাধিকার দেন, তাঁদের দেখতে পারেন না এই পুরুষেরা। সকলে হয়তো এমন নয়। কিন্তু ৯৫ শতাংশ পুরুষ এমনই। আমি বিতর্কিত মন্তব্য করার জন্য এটা বলছি না। কিন্তু এই বিষয়টা আমি সমাজে এবং আমার পরিবারেও লক্ষ করেছি।”

Advertisement

গত বছর ‘মেট্রো ইন দিনো’ ছবিতে বয়স্ক প্রেমিক-প্রেমিকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন নীনা এবং অনুপম খের। সেই ছবির প্রচারেই বয়স্ক ভারতীয় মহিলাদের ইচ্ছে এবং তা দমিয়ে রাখার বাধ্যবাধকতা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেছিলেন নীনা। তিনি বলেন, “আসলে ভারতীয় নারীরা বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নানা ভূমিকা এবং দায়িত্বে জড়িয়ে পড়তে থাকেন। আর সেই প্রক্রিয়ায় নিজেদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে গলা টিপে মারতে থাকেন। আজও ভারতের গ্রামের বহু মহিলা ৪০ বছরের পরেই নিজেদের বয়স্কা বলে ভাবতে শুরু করেন এবং নিজেরাই নিজেদের কামনাকে বিসর্জন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হতে শুরু করেন। এর জন্য আমাদের সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিই দায়ী।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement