প্রয়াত সঞ্জয় কপূরের সম্পত্তি নিয়ে তরজা অব্যাহত। ছবি: সংগৃহীত।
করিশ্মা কপূরের প্রাক্তন স্বামী সঞ্জয় কপূরের মৃত্যুর পর থেকেই শুরু আইনি জট। সঞ্জয়ের তৃতীয় স্ত্রী প্রিয়া কপূরের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ। তিনি নাকি স্বামীর কয়েক কোটির সম্পত্তি একাই হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। দিল্লি হাই কোর্টে চলছে মামলা। সঞ্জয়ের ‘আরকে ফ্যামিলি ট্রাস্ট’-কে ঘিরে ঝামেলা আরও বাড়ল। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, এই ট্রাস্টের অন্যতম সদস্য প্রিয়া, ২০২৬ সালের ২৫ মার্চ থেকে সঞ্জয়ের মা রানি কপূরকে ‘ট্রাস্টি’র পদ থেকে অপসারণ করে একটি নোটিস জারি করেছেন।
‘আরকে ফ্যামিলি ট্রাস্ট’ সংক্রান্ত এক নোটিসে জানানো হয়েছে, ২০১৭ সালে এই ট্রাস্টটি একটি ব্যক্তিগত ও অপরিবর্তনীয় ট্রাস্ট হিসাবে গঠিত হয়েছিল। প্রয়াত সঞ্জয় কপূর জীবিত থাকা পর্যন্ত তিনিই ছিলেন এর একমাত্র সুবিধাভোগী। ২০২৫ সালের জুনে তাঁর মৃত্যুর পরে ট্রাস্টের সুবিধাভোগের অধিকার তাঁর সন্তানদের। সেখানে আজ়ারিয়াস সুরি কপূর, সমাইরা কপূর এবং কিয়ান কপূরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের তা হস্তান্তরিত হয়েছে বলে নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।
নোটিসে আরও বলা হয়েছে, একমাত্র সুবিধাভোগীর মৃত্যুর পরে রানি কপূরের কিছু পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, ট্রাস্টের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবং ট্রাস্টের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে দিল্লি হাই কোর্টে আবেদন করেছেন রানি। স়ঞ্জয়ের মায়ের এই পদক্ষেপ ট্রাস্টের জন্য ক্ষতিকর, দাবি প্রিয়ার। ভারতীয় ট্রাস্ট আইনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, রানিকে ট্রাস্টির পদ থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নোটিসে স্পষ্ট উল্লেখ, ২৫ মার্চ ২০২৬ থেকে রানি কপূর এই ট্রাস্টের পক্ষে আর কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না বা ট্রাস্টের সম্পত্তি, নথি বা অন্যান্য বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। ওই তারিখের পরে ট্রাস্টের নামে নেওয়া তাঁর যে কোনও পদক্ষেপ অবৈধ বলে গণ্য হবে এবং নির্দেশ না মানলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে নোটিসে।