দিশা পটানীর সৌন্দর্যের রহস্য। ছবি: সংগৃহীত।
ভারোত্তোলন, কিক বক্সিং, নাচ, কার্ডিয়ো, জিমন্যাস্টিক— বলিউডে স্বাস্থ্যসচেতন নায়িকাদের মধ্যে সুখ্যাতি রয়েছে দিশা পটানীর। শরীরচর্চার জন্য রোজ ঘণ্টাখানেক সময় ব্যয় করেন তিনি। তবে কেবল ব্যায়াম নয়, খাদ্যাভ্যাস নিয়েও অত্যন্ত সচেতন দিশা। তাঁর তন্বী চেহারার নেপথ্যে দিনের প্রতিটি নিয়মকেই কৃতিত্ব দিতে চান নায়িকা। তবে সবচেয়ে জরুরি বলে তিনি মনে করেন দিনের শুরুটা। আর তাই স্বাস্থ্যকর রুটিন তৈরি করেছেন নিজের জন্য।
জিমের প্রতি আকর্ষণ, নিষ্ঠা তৈরির অনেক আগে থেকেই ফিটনেসের যাত্রা শুরু করেছেন দিশা। সকালে বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্যকর টোটকা মেনে চলেন তিনি। বিপাকীয় স্বাস্থ্য উন্নত করার জন্য প্রাতরাশের আগে তিনটি পানীয়ে চুমুক দেন দিশা। প্রদাহ নাশ করার জন্য হলুদ-জল, গলা ভাল রাখার জন্য বিশেষ ভেষজ চা এবং ২-৩ গ্লাস সাধারণ জল। শরীর থেকে ত্বক ও চুল, সবের সুস্থতার নেপথ্যে দিনের শুরুটাই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন দিশা।
খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে মূলত ঘরে বানানো সাদামাঠা খাবারে ভরসা রাখেন বলি তারকা। প্রাতরাশে ডিমের সঙ্গে রাইস বা পাউরুটি। মধ্যাহ্নভোজন সারেন প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট এবং শাকসব্জি দিয়ে। নৈশভোজেও পাতে থাকে প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেটপূর্ণ খাবার। দিনে ৩-৪ বার খেতে হয় তাঁকে। ফলে অল্প খিদে পেলে স্ন্যাক্সের প্রতি নির্ভরশীল হতে হয় না তাঁকে। বহু বছর ধরে একই খাবার রোজ খেয়ে চলেছেন দিশা। একই খাবার, একই রেসিপিতে বানানো। পুনরাব়ৃত্তিতেই সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি খুঁজে পেয়েছেন তিনি। তবে সপ্তাহে একটি দিন, রবিবার নিজের স্বাদকোরককে গুরুত্ব দেন দিশা। সে দিন তাঁর খাবারে বৈচিত্র থাকে। তা সে মিষ্টি হোক, বা চকোলেট। যাতে তাঁর মনও নতুনত্বের ছোঁয়ায় ভাল থাকে।