Rice Water Drink

ভাতের ফ্যান ফেলে দেবেন না, বরং গরমে এই তরলই হয়ে উঠতে পারে স্বাস্থ্যকর ও আরামদায়ক পানীয়

ভাত রান্না করার সময়ে যে স্টার্চযুক্ত জল বার হয়, সেটিই ভাতের জল বা ফ্যান। এই হালকা, সামান্য ঘোলাটে পানীয় গরমের দিনে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে এবং খুব সহজে হজম হয়। কী ভাবে বানাবেন শিখে নিন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:১৩
Share:

ভাতের ফ্যান দিয়ে বানানো পানীয়। ছবি: সংগৃহীত।

প্রবল রোদে দরদর করে ঘামতে ঘামতে ঠান্ডা, প্রাণজুড়োনো, সুস্বাদু, হালকা পানীয়ে চুমুক দিলেন। ভেবেই স্বস্তির স্পর্শ মিলল, তাই না? গরমের দিনে শরীর যখন ক্লান্ত, দুর্বল আর জলের ঘাটতিতে নাজেহাল, তখন এমন কিছু নাগালে পেলে কেমন হয়? ঠান্ডা, হালকা আর পেটের জন্য আরামদায়ক। ঠিক সেই জায়গাতেই ফিরে আসছে একেবারে ঘরোয়া, সহজ একটি পানীয়, ভাতের ফ্যান। চালের জল এবং ভাতের ফ্যান মানেই রূপচর্চার উপাদান, এমন ভাবনা ভুল। বরং, বহু দিন ধরেই ভারতীয় হেঁশেলে এই জল খাদ্যবস্তু হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কেউ সেদ্ধ ভাতের সঙ্গে খান, কেউ আবার ভাতের ফ্যান ফেলে না দিয়ে স্বাস্থ্যকর পানীয় বানিয়ে খান।

Advertisement

চালের জল এবং ভাতের ফ্যান মানেই রূপচর্চার উপাদান, এমন ভাবনা ভুল। ছবি: সংগৃহীত

ভাত রান্না করার সময়ে যে স্টার্চযুক্ত জল বার হয়, সেটিই ভাতের জল বা ফ্যান। এই হালকা, সামান্য ঘোলাটে পানীয় গরমের দিনে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে এবং খুব সহজে হজম হয়। এর স্বাদ খুব মৃদু। যাঁরা খুব তীব্র স্বাদের পানীয় পছন্দ করেন না, তাঁদের জন্য এটি আদর্শ। গরমে শরীর থেকে ঘাম হয়ে জল বেরিয়ে যায়, ফলে ক্লান্তি, মাথা ভার, দুর্বলতা, এ সব দেখা দেয়। ভাতের ফ্যান সে ক্ষেত্রে কয়েক ভাবে সাহায্য করে।

গরমে কী কী ভাবে উপকার করে ভাতের ফ্যান?

Advertisement

· শরীরকে হাইড্রেট করে

· সহজ কার্বোহাইড্রেট থাকায় দ্রুত শক্তি দেয়

· পেটের জন্য আরামদায়ক, হজমে সাহায্য করে

কী ভাবে বানাবেন এই স্বাস্থ্যকর পানীয়?

উপকরণ

আধ কাপ চাল

৩ কাপ জল

এক চিমটে রোস্ট করা জিরেগুঁড়ো

এক চিমটে বিটনুন

১ চা চামচ লেবুর রস

প্রয়োজন মতো নুন

প্রণালী

সেদ্ধ বসানোর আগে চালটাকে ভাল করে বার বার ধুয়ে নিতে হবে। এ বার পাত্রে চাল রান্না করতে বসিয়ে দিন। সেদ্ধ হয়ে ফ্যান গেলে অন্য একটি পাত্রে রেখে ঠান্ডা করতে দিন। খেয়াল রাখবেন, অত্যধিক সেদ্ধ যেন না হয় ভাত। নয়তো ভাতের ফ্যান ভীষণ বেশি ঘন হয়ে যাবে। এ বার সেই জলে জিরেগুঁড়ো, বিটনুন আর সাধারণ নুন মিশিয়ে দিন। শেষে লেবুর রস মিশিয়ে ভাল করে নেড়ে নিন। ঠান্ডা করার জন্য খানিক ক্ষণ ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। এ বার গ্লাসে ঢেলে ঠান্ডা ঠান্ডা পানীয় পান করে নিন।

এই পানীয়ের উপকারিতা কী?

· কম ক্যালোরি, কিন্তু ভরপুর পুষ্টি (ভিটামিন ও খনিজ)

· সহজ কার্বোহাইড্রেট

· ইলেকট্রোলাইট

· শক্তির উৎস

এই সমস্ত কারণেই এটি গরমে ক্লান্ত শরীরে দ্রুত আরাম দেয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement