গরমের দিনে সুতির পোশাক বা হালকা জামা-কাপড় নিয়ম করে কেচে নেওয়া হয়। প্রথমত, ঘামে ভেজা পোশাক এক দিন অন্তর না কেচে পরা যায় না। দ্বিতীয়ত, পোশাক হালকা হওয়ায় কাচা এবং শুকোনোও সুবিধাজনক। কিন্তু শীতে পরা পোশাক নিয়ম করে কাচেন কি?
শীতের দিনেও কিন্তু ঘাম হয়, ঘামের দুর্গন্ধও হয়। বিশেষত, একই জ্যাকেট এবং সোয়েটার দিনের পর দিন ব্যবহার করলেই তা টের পাওয়া যায়। সমস্যা হতে পারে সেখানেই।শীতের দিনে রোদে দাঁড়ালে গরমে ঘাম হয়। ঘাড়, গলা বা বাহুমূল যেখানেই ঘাম হয়, সংক্রমণ হতে পারে সেখান থেকেই। তার ফলে র্যাশ-চুলকানির মতো সমস্যা হতে পারে। দিল্লী নিবাসী ত্বকের চিকিৎসক নভজ্যোত সিংহ অরোরা জানাচ্ছেন, ঘাম বা শরীরের ভিজে অংশ থেকেই সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। ফলে পোশাক বাছাইয়ে সতর্ক হওয়া জরুরি। সরাসরি গরমের পোশাক বা উলের পোশাক না পরে, তার ভিতরে সুতির জামা পরা ভাল। এতে ত্বক ভাল থাকবে। ঘাম হলেও, সুতির পোশাক তা শুষে নিতে পারবে।
সমস্যার কারণ কী হতে পারে?
ঠান্ডা অনুযায়ী পোশাক বাছাই জরুরি। অনেকেই সকালে বেরোন রাতে ফেরেন। বাড়ি থেকে রাতের উপযোগী পোশাক পরে যান। কিন্তু বেলায় রোদের তাপে সেই পোশাক পরলে ঘাম হয়।
আবার বেশি আঁটোসাঁটো পোশাকেও হাওয়া চলচলে অসুবিধা হয়। ত্বকের উপর চেপে বসা পোশাকের কারণে ঘাম হতে পারে। ছোট ছোট ভুলের কারণেই সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
সংক্রমণ এড়ানোর উপায়
ত্বক শুকনো রাখা জরুরি। চিকিৎসক সতর্ক করছেন, ঘামে ভেজা পোশাক বদলাতে হবে। তা ছাড়া যে অংশে ঘাম বেশি হয়, সেখানে অ্যান্টি ফাঙ্গাল ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করা যেতে পারে। কারও বেশি ঘাম হয়। তাঁরা শীতের দিনে উলের পোশাকের ভিতরে সুতির পোশাক বা ঘাম শুষে নেয়, এমন জামা পরতে পারেন।
সুতির পোশাক যেমন নিয়ম করে কাচা হয়, শীতের পোশাকও কেচে নেওয়া জরুরি। একই সোয়েটার বা জ্যাকেট দিনের পর দিন না পরে, সেগুলি হাওয়ায় মেলে দেওয়া যেতে পারে। রোদে শুকিয়ে নিলেও কিছুটা সমস্যা এড়ানো যায়। বিশেষত মোজা নিয়ম করে কাচা এবং রোদে শুকিয়ে তার পরেই পরা উচিত।