Blood Pressure Measurement

বাড়িতেই প্রেশার মাপেন? কোন কোন ভুলে ‘রিডিং’ হেরফের হতে পারে? সঠিক নিয়মগুলি শিখে নিন

নিয়মিত রক্তচাপ মাপা এখন শুধু রোগীদের জন্য নয়, বরং সুস্থ থাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। কিন্তু তাতে একটিই সমস্যা, অনেক সময়ে মাপার ভুলে ‘রিডিং’ সঠিক আসে না। কোন পদ্ধতিতে মাপবেন ঘরে বসে?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ২০:১৬
Share:

রক্তচাপ মাপার সঠিক নিয়ম। ছবি: সংগৃহীত।

ব্লাড সুগার হোক বা ব্লাড প্রেশার, অথবা অক্সিজেনের পরিমাণ মাপা— প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে নানা ধরনের যন্ত্র এখন মানুষের ঘরে ঘরে। চিকিৎসালয়ে বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে ঘন ঘন প্রেশার বা সুগার মাপার প্রয়োজন পড়ে না আর। নিয়মিত রক্তচাপ মাপা এখন শুধু রোগীদের জন্য নয়, বরং সুস্থ থাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। কিন্তু তাতে একটিই সমস্যা, অনেক সময়ে মাপার ভুলে ‘রিডিং’ সঠিক আসে না। সেই ভুল সংখ্যাই ভবিষ্যতে বিভ্রান্তির কারণ হতে পারে। তাতে চিকিৎসাও ভুল দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ফলে এই সমস্ত ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা দরকার। সমস্ত বিষয়ে অবগত হয়ে নেওয়া দরকার।

Advertisement

প্রেশার মাপার সঠিক পদ্ধতি। ছবি: সংগৃহীত

কয়েকটি সহজ ধাপ ঠিক ভাবে মেনে চললেই একেবারে নির্ভুল ভাবে রক্তচাপ মাপা সম্ভব ঘরে

১. সবচেয়ে আগে প্রস্তুতি। রক্তচাপ মাপার অন্তত ৩০ মিনিট আগে থেকে চা, কফি, ধূমপান বা ব্যায়াম এড়িয়ে চলা উচিত। এগুলি সাময়িক ভাবে রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে।

Advertisement

২. মাপার আগে মূত্রাশয় খালি করে নেওয়াও জরুরি, কারণ সেটিও রিডিংয়ে প্রভাব ফেলতে পারে।

৩. চেয়ারে সোজা হয়ে বসে পা দু’টিকে সঠিক ভাবে রাখতে হবে। পায়ের উপর পা তুলে, বা পায়ের পাতাদু’টি ক্রস করে বসলে ভুল রিডিং আসতে পারে। পা দু’টিকে আলাদা রেখে পাতাদুটিকে মেঝেতে রাখতে হবে। অন্তত পাঁচ মিনিট চুপচাপ বসে শরীরকে স্বাভাবিক অবস্থায় আনুন।

Advertisement

৪. এ বার হাতের অবস্থান খুব গুরুত্বপূর্ণ। যে হাতে মাপবেন, সেটি টেবিলের উপর এমন ভাবে রাখুন, যাতে হাতের মাঝামাঝি অংশ হার্টের সমান্তরালে থাকে।

৫. কনুইয়ের উপরের অংশে প্রেশার মাপার ব্যান্ডটি বেঁধে নিন। খেয়াল রাখবেন, সেই অংশ যেন উন্মুক্ত থাকে, জামার হাতা থাকলে সেটি তুলে নিতে হবে।

৬. কনুই থেকে দু’আঙুল বা এক ইঞ্চি উপরে বাঁধতে হবে ব্যান্ডটি। নজর রাখতে হবে, যেন খুব বেশি আঁটসাঁট বা খুব আলগা করে বাঁধা না হয়। ব্যান্ড বাঁধার পর যেন এক আঙুল প্রবেশ করানোর মতো আলগা থাকে।

৭. রক্তচাপ মেপে নিন। এই একই নিয়মে মোট তিন বার মাপতে হবে। তার পর গড় করে নিয়ে সঠিক ‘রিডিং’ পাবেন।

একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস হল, নিয়মিত একই সময়ে মাপা। যেমন সকালে এবং সন্ধ্যায় নির্দিষ্ট সময়ে মাপলে শরীরের প্রকৃত অবস্থা বোঝা সহজ হয়। প্রতি দিনের রিডিং লিখে রাখলে চিকিৎসকেরও তা কাজে লাগে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement